IndiGo Flight: মাঝ আকাশে ইঞ্জিন ফেল? ১৬১ জন যাত্রী নিয়ে ইন্ডিগো বিমানের জরুরি অবতরণ

Published : Mar 28, 2026, 12:27 PM ISTUpdated : Mar 28, 2026, 12:31 PM IST
IndiGo flight with over 160 passengers makes emergency landing at Delhi Airport engine failure suspected

সংক্ষিপ্ত

শনিবার সকালে বিশাখাপত্তনম থেকে আসা ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির খবর পাওয়ার পরে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক (আইজিআই) বিমানবন্দরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ইঞ্জিন বিকল হওয়ার আশঙ্কায় ২৮ নম্বর রানওয়েতে পূর্ণ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। তবে, পাইলটের উপস্থিত বুদ্ধি এবং বিমানবন্দর প্রশাসনের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে।

শনিবার সকালে বিশাখাপত্তনম থেকে আসা ইন্ডিগোর একটি ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির খবর পাওয়ার পরে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক (আইজিআই) বিমানবন্দরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। ইঞ্জিন বিকল হওয়ার আশঙ্কায় ২৮ নম্বর রানওয়েতে পূর্ণ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। তবে, পাইলটের উপস্থিত বুদ্ধি এবং বিমানবন্দর প্রশাসনের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। জরুরি প্রোটোকল অনুসরণ করে ইন্ডিগোর ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে আইজিআই বিমানবন্দরের ২৮ নম্বর রানওয়েতে নিরাপদে অবতরণ করে। যে কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য রানওয়েতে দমকলের গাড়ি এবং অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। সমস্ত সংস্থাকে সতর্ক করা হয়েছিল। সমস্যার কারণ জানতে ইন্ডিগোর কারিগরি দল এখন বিমানটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিদর্শন করছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, বিমানটিতে ১৬১ জন যাত্রী ছিলেন। অবতরণের পরপরই সমস্ত যাত্রীকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। যাত্রীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ইন্ডিগো প্রশাসন এখন এই যান্ত্রিক ইঞ্জিন ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে বিস্তারিত তদন্ত করছে।

গত মাসে, স্পাইসজেটের দিল্লি-লেহগামী একটি ফ্লাইটের ইঞ্জিনে ত্রুটির খবর পাওয়ার পর দিল্লি বিমানবন্দরে পূর্ণাঙ্গ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রায় ১৫০ জন যাত্রী-সহ ওই বিমানটি দিল্লিতে ফিরে আসে। এটি ছিল একটি বোয়িং ৭৩৭ বিমান—যা সম্প্রতি বারবার ইঞ্জিন বিকল হওয়ার ঘটনার জেরে সমালোচনার মুখে পড়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে মোট ৭৫৪টি বিমান নিরীক্ষা করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৭৭টিতে ক্রমাগত প্রযুক্তিগত সমস্যা পাওয়া গিয়েছে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের তথ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে আজকের জরুরি অবতরণটি নিছক কাকতালীয় ঘটনা নাও হতে পারে, বরং এটি একটি বৃহত্তর সঙ্কটের অংশ। প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরীক্ষা করা ৭৫৪টি বাণিজ্যিক বিমানের মধ্যে ৩৭৭টিতে (প্রায় ৫০%) ক্রমাগত প্রযুক্তিগত সমস্যা পাওয়া গেছে। আজকের ঘটনাটি কমিটির সেই সতর্কবাণীকেই নিশ্চিত করেছে যে ভারতের বাণিজ্যিক বিমানবহরের অর্ধেকই প্রযুক্তিগত সমস্যায় ভুগছে এবং অসামরিক বিমান চলাচল সেক্টরের পুনর্গঠন প্রয়োজন।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Nirmala Sitharaman: ১ এপ্রিল থেকেই দেশজুড়ে আয়কর নিয়মে বড় বদল, কী বলছে নির্মলা সীতারমনের নয়া বিধি?
8th Pay Commission: অষ্টম বেতন কমিশনে বেতন ও পেনশন, ফিটমেন্ট ও ভাতা বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে JCM-এর প্রধান দাবিগুলো কী কী?