Jantar Mantar Protest: আবারও আন্দোলন। রবিবার ফের লাগাতার আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিল্লি। খ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। দিল্লির যন্তর মন্তর শুধু নয়, ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও (Jantar Mantar Protest)। শনিবার, ১০০০-এর উপর বিক্ষোভকারী এবং নেতৃত্বকে আটক করা হয়। তাদের অনেককে শনিবার রাতে এবং অনেককেই রবিবার সকালে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু শনিবারই ফের একবার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেন ছাত্র-যুবরা। সেই ছবিই দেখা গেল রবিবার (cjp protest news)।
সিজেপি, এসএফআই, এআইওয়াইএফ এবং এআইএসএফ সমর্থকরা ফের প্রতিবাদ দেখাতে শুরু করেন রবিবার। কনট প্লেসের সামনে সিজেপি এবং বেশ কিছু ছাত্র সংগঠনের সমর্থকরা হাজির হয়ে প্রতিবাদ জানান। রবিবারও বিশাল সংখ্যায় পুলিশও মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। এরপর বিক্ষেভকারীদের চ্যাংদোলা করে এবং টেনেহিঁচড়ে প্রিজ়ন ভ্যানে তোলে পুলিশ। কার্যত, আন্দোলন দমন করার চেষ্টা। অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশকে কড়া বার্তা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মেট্রো এবং রেল পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা, ব্যারিকেড বসানোর প্রয়োজনীয়তা পর্যালোচনা এবং ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলে কাউকে আটক করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
সিজেপি নেতা অভিজিৎ ডিপকে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এই আন্দোলন থামবে না। ১০ অক্টোবর, ২০২৬ দিনটিকে একনায়কতন্ত্রের শেষের শুরু হিসেবেই ধরা হবে বলে মন্তব্য করেছেন এই সিজেপি নেতা। জানা যাচ্ছে, রবিবার আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জেরে সিপিএম-এর রাজ্যসভার সাংসদ জন ব্রিটাসকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, ধ্রুব রাঠি এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন, তিনি জানিয়েছেন, “আমি তখন ঘুমাচ্ছিলাম। সকাল ৭টা নাগাদ বাড়ির বাইরে লোকজন ঘোরাফেরা করছে দেখে আমার মা গিয়ে দরজা খোলেন। যদিও কোনও পুলিশ ছিল না। সাধারণ পোশাক পরা লোকজন আমার মাকে ধাক্কা মেরে ভিতরে ঢুকে আসেন এবং তারপর সোজা আমার শোয়ার ঘরে। মা চিৎকার করতে শুরু করেন তখন। আমি ঘুম ভেঙে উঠে কিছু বলা বা করার কোনও সুযোগই পাইনি। জুতো পরার সময়টুকুও আমাকে দেওয়া হয়নি। আমাকে কার্যত, অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাড়ি থেকে। অপহরণ শব্দটাই আমি ব্যবহার করতে চাই এখানে। কারণ, এটা কোনও গ্রেফতারি বা আটক নয়। যদি কোথাও প্রতিবাদ বা আন্দোলন করতে যেতাম, সেখান থেকে ধরলে তাঁকে আটক বলা হয়। কিন্তু সেটা নয়। গুন্ডা পাঠিয়ে আমাকে অপহরণ করা হয়েছে। বাড়িতে তখন আমি, বাবা এবং মা ছাড়া আর কেউ ছিল না।"
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।