যৌন হেনস্থার অভিযোগে JNU থেকে বরখাস্ত কংগ্রেস সাংসদ অঙ্গোমচা বিমল আকোইজাম

Published : Oct 09, 2026, 06:19 PM IST
Jawaharlal Nehru University sacked professor and Congress  MP from Angomcha Bimol Akoijam after holding him guilty of sexually harassing

সংক্ষিপ্ত

যৌন হেনস্থার অভিযোগের তদন্তের পর জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) থেকে বরখাস্ত করা হল অধ্যাপক তথা কংগ্রেস সাংসদ অঙ্গোমচা বিমল আকোইজামকে। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জারি করা নির্দেশে তাঁকে অবিলম্বে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং সুপারিশের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ।

যৌন হেনস্থার অভিযোগের তদন্তের পর জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) থেকে বরখাস্ত করা হল অধ্যাপক তথা কংগ্রেস সাংসদ অঙ্গোমচা বিমল আকোইজামকে। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জারি করা নির্দেশে তাঁকে অবিলম্বে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং সুপারিশের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। JNU-এর ১১ জন মহিলা পড়ুয়া অধ্যাপক বিমল আকোইজামের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। ২০২৬ সালের মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এই অভিযোগগুলি জমা পড়ে বলে জানা গিয়েছে।

অভিযোগকারীদের বক্তব্যে অধ্যাপকের কিছু অনুপযুক্ত মন্তব্য, বিভিন্ন সাক্ষাৎ ও একাডেমিক আলোচনার সময় আচরণ নিয়ে আপত্তির কথা উঠে আসে। এক পড়ুয়া নম্বর দেওয়ার সঙ্গে যৌন সুবিধার শর্ত জুড়ে দেওয়ার অভিযোগও করেছিলেন। এই অভিযোগগুলির তদন্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটি। তদন্তের পর সংশ্লিষ্ট অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপের সুপারিশ করা হয়।

কী বলেছে বিশ্ববিদ্যালয়?

৯ অক্টোবর জারি করা নির্দেশে JNU কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ কমিটির তদন্তের রিপোর্ট এবং উপলব্ধ তথ্য বিবেচনা করে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শান্তিশ্রী ডি পণ্ডিতের স্বাক্ষরিত নির্দেশে অধ্যাপককে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিষেবা থেকে বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে। অঙ্গোমচা বিমল আকোইজাম JNU-এর স্কুল অফ সোশ্যাল সায়েন্সেসের অধীন সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অফ সোশ্যাল সিস্টেমস-এ অধ্যাপনা করতেন।

অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন অধ্যাপক

অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর অধ্যাপক বিমল আকোইজাম সেগুলি অস্বীকার করেছিলেন। তিনি অভিযোগগুলিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন এবং তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। এই ঘটনা ঘিরে দিল্লি মহিলা কমিশনও পদক্ষেপ করেছিল। সেপ্টেম্বর মাসে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েক জন পড়ুয়াকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানোর বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়। এরপর কমিশনের চেয়ারপার্সন লতা গুপ্তা বিষয়টি নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করেন এবং JNU কর্তৃপক্ষের কাছে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠান।

কংগ্রেস সাংসদ হিসেবেও পরিচিত আকোইজাম

অঙ্গোমচা বিমল আকোইজাম শুধু JNU-এর অধ্যাপক নন, তিনি মণিপুরের ইনার মণিপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস সাংসদও। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর বরখাস্ত হওয়ার অর্থ সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার হওয়া নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত তাঁর অধ্যাপনার চাকরির সঙ্গে সম্পর্কিত।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

CJP Protest: 'মাঝে মাঝে বিপি মাপবেন', মোদীকে কটাক্ষ সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকের
INDIA Alliance Protest: 'ভোট চুরি'র কথা মন দিয়ে শুনেছেন রাষ্ট্রপতি, অবাক রাহুল! সিইসি-কে সরাতে দরবার ইন্ডিয়া জোটের