
জম্মু ও কাশ্মীরের শোপিয়ান জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এক লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি খতম হয়েছে। বুধবার পুলিশ এই খবর জানিয়েছে। শোপিয়ানের স্পেশাল অপারেশনস গ্রুপ (SOG), সেনার রাষ্ট্রীয় রাইফেলস (RR) এবং CRPF একসঙ্গে এই অভিযান চালায়। পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত জঙ্গির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। তার দেহের কাছ থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে লেখে, “তুমি দৌড়াতে পারো, কিন্তু লুকাতে পারবে না! শোপিয়ানের SOG, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং CRPF-এর যৌথ অভিযানে এক লস্কর জঙ্গি খতম হয়েছে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের সময় গুলির আওয়াজ শোনা যায়। জঙ্গিরা গুলি চালালে পাল্টা জবাব দেয় বাহিনী। দু'পক্ষের গুলির লড়াই থামার পর শোপিয়ানের চানাপোরা এলাকায় এনকাউন্টার স্থল থেকে একটি দেহ উদ্ধার করা হয়।
এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এলাকায় তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে, তাই নিরাপত্তা বাহিনী গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে।
জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে নিরাপত্তা বাহিনী লাগাতার জঙ্গি-দমন অভিযান চালাচ্ছে। তারই মধ্যে শোপিয়ানের এই ঘটনা ঘটল। এর আগে রাজৌরি জেলায় বাহিনী 'অপারেশন শেরুওয়ালি' শুরু করেছিল। এর আওতায় মনজাকোট সেক্টরের গম্ভীর মুঘলান এলাকার ডোরিমলের জঙ্গলে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। ঘন জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খুঁজে বের করাই ছিল এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।
আধুনিক সরঞ্জাম এবং সমন্বিত গ্রাউন্ড অপারেশনের সাহায্যে বাহিনী তল্লাশি ও নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।
মে মাসের শেষের দিকে 'অপারেশন শেরুওয়ালি' শুরু হয়। এটি ডোরিমল-গম্ভীর মুঘলান সেক্টরের ঘন জঙ্গলে একটি বড় মাপের চিরুনি তল্লাশি। একাধিক এজেন্সির এই যৌথ অভিযানের লক্ষ্য হল, ওই দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় লুকিয়ে থাকা সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে খতম করা।