LPG: রান্নার গ্যাস নিয়ে আর চিন্তা নয়? ২৪টি সংস্থাকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের, বাড়বে উৎপাদন

Published : Aug 16, 2026, 06:44 PM IST

দেশে রান্নার গ্যাসের জোগান স্থিতিশীল রাখতে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। ২৪টি তেল শোধনাগার ও উৎপাদনকারী সংস্থার জন্য LPG উৎপাদনের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দৈনিক মোট ৬৩.৮১ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

PREV
110
উৎপাদনে লাগাম বাঁধল কেন্দ্র

রান্নার গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করতে এবং সরবরাহ সংকট এড়াতে দেশের ২৪টি তেল শোধনাগার ও উৎপাদনকারী সংস্থার জন্য এলপিজি উৎপাদনের সর্বোচ্চ মাত্রা বেঁধে দিল পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক।

210
১৩ অগস্ট জারি নির্দেশিকা

গত ১৩ অগস্ট এই নির্দেশ জারি করা হয়। এই নির্দেশে ১৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত শোধনাগার, তিনটি বেসরকারি সংস্থা এবং তিনটি আপস্ট্রিম কোম্পানির জন্য পৃথকভাবে উৎপাদনের মাত্রা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

310
দৈনিক উৎপাদনের পরিমাণ

দৈনিক প্রায় ৬৪ হাজার টন গ্যাস উৎপাদনক করতে পারবে। সব সংস্থা মিলিয়ে দৈনিক সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ধার্য হয়েছে প্রায় ৬৩,৮১০ টন, যা দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ পূরণ করতে পারবে।

410
রিলায়েন্সেই ভরসা কেন্দ্রের

সবচেয়ে বড় উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জামনগর শোধনাগারকে— দৈনিক ১৮ হাজার টন। এরপরেই রয়েছে BPCL-এর কোচি শোধনাগার (৪,৮০০ টন) এবং নায়ারা এনার্জি (৪,৪৮০ টন)।

510
পশ্চিম এশিয়ার সংকট থেকে শিক্ষা

ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমদানি-নির্ভর ভারতের এলপিজি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার দেশীয় উৎপাদনের একটি স্থায়ী সুরক্ষা কাঠামো তৈরি করল কেন্দ্র।

610
আমদানির উপর নির্ভরতা

২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারত মোট ৩৩.২ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করেছে, যার মধ্যে প্রায় ২১.৩ মিলিয়ন টনই আমদানি করতে হয়েছিল বিদেশ থেকে। আমদানির উপর নির্ভরতা ৬৪ শতাংশের বেশি।

710
পরিকাঠামো তৈরির নির্দেশ সংস্থাগুলিকে

নির্দেশিকা অনুযায়ী, সমস্ত শোধনাগার ও উৎপাদনকারী সংস্থাকে এলপিজি মজুত, নিষ্কাশন ও পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলতে ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।

810
প্রযুক্তিগত উন্নয়নেও জোর

ন্যাপথা থেকে এলপিজি তৈরি এবং ফ্লুইড ক্যাটালিটিক ক্র্যাকিং ইউনিট আপগ্রেড করার মতো প্রযুক্তিগত ও আর্থিকভাবে লাভজনক উপায় খুঁজে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে সংস্থাগুলিকে।

910
সরকারের হাতে বিশেষ ক্ষমতা

জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে যেকোনও শোধনাগার বা উৎপাদনকারী সংস্থাকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিতে পারবে কেন্দ্র, প্রয়োজনে কাঁচামালের অন্য ব্যবহারেও বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে।

1010
বছরে দু'বার পর্যালোচনা, লঙ্ঘনে শাস্তি

প্রতি বছর ১ জানুয়ারি ও ১ জুলাই উৎপাদনের তালিকা পর্যালোচনা করবে কেন্দ্র। নির্দেশ অমান্য করলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন, ১৯৫৫ অনুযায়ী নেওয়া হবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories