
দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির জন্য জনগণনা একটি "অত্যন্ত জরুরি" বিষয়। শুক্রবার দেশজুড়ে জনগণনা শুরু হতেই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা রাজ্যের মানুষকে এগিয়ে এসে সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।
জনসংখ্যার তথ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প তৈরির জন্য এই তথ্য অত্যন্ত জরুরি। রাজ্যস্তরের পঞ্চায়েত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে (২০২৬-২৭) তিনি গ্রামীণ পরিচালনায় রাজ্যের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ত্রিপুরার পঞ্চায়েতগুলি लगातार জাতীয় স্তরে স্বীকৃতি পাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে এএনআই-কে মুখ্যমন্ত্রী সাহা বলেন, "আমরা যে জাতীয় স্তরে পুরস্কার পাচ্ছি, এটাই আমাদের ভালো কাজের প্রমাণ। গত বছর সাতটি পঞ্চায়েত সম্মানিত হয়েছিল এবং এবারও বিভিন্ন মাপকাঠিতে অনেকেই স্বীকৃতি পেয়েছে।"
তিনি আরও জানান, এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যের নির্দিষ্ট মানদণ্ডের অধীনে প্রায় ৫১টি পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
গ্রামীণ পরিকাঠামোর ওপর জোর দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "যেহেতু ৭৫ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন, তাই তাঁদের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ মানুষের মতামত নিয়ে আমাদের অফিসার ও কর্মীরা একসঙ্গে কাজ করলে এই পঞ্চায়েতগুলিকে আদর্শ মডেল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।"
একই দিনে মুখ্যমন্ত্রী সাহা ডিজিটাল জাতীয় জনগণনার সূচনা করেন। তিনি এই প্রক্রিয়াকে ভারতের কৌশলগত বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতের ব্লুপ্রিন্টের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।
সাহা বলেন, "আজ থেকে জনগণনা শুরু হচ্ছে। এটা দেশের জন্য খুব জরুরি একটা বিষয়। ভারতের জনসংখ্যা কত, তা আমাদের জানতে হবে। কারণ এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই কেন্দ্রীয় সরকার ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করে।"
স্বচ্ছভাবে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “তাই আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি, আপনারা এগিয়ে আসুন এবং জনগণনার জন্য সঠিক তথ্য দিন।”