ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, মন্তব্য করব না! CJP বিক্ষোভ নিয়ে বললেন মার্কো রুবিও

Published : Oct 21, 2026, 04:28 PM IST
Marco Rubio said anti CEC protests is India internal political matters Washington would not comment on them

সংক্ষিপ্ত

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। তবে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আমেরিকা কোনও মন্তব্য করবে না। গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও প্রতিবাদ স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও। তবে এই বিষয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আমেরিকা কোনও মন্তব্য করবে না। গণতান্ত্রিক দেশে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ও প্রতিবাদ স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। সেখানে নির্বাচন হয়। তাই ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে তিনি কোনও মতামত দিতে চান না। এই বিষয়গুলি ভারতের মানুষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

বিরোধী দল ও ছাত্র সংগঠনগুলির বিক্ষোভ এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের সমালোচনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিল রুবিওকে। জবাবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে আমেরিকা হস্তক্ষেপ করবে না।

রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের কটাক্ষ রুবিওর

ভারতে বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের সমালোচনার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন রুবিও। তাঁদের বক্তব্যের জবাবে ব্যঙ্গাত্মক ভঙ্গিতে তিনি বলেন, রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এরপরই ‘UN experts’ শব্দবন্ধটিকে ‘oxymoron’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। অর্থাৎ, তাঁর মন্তব্যে শব্দ দুটির মধ্যে স্ববিরোধিতার ইঙ্গিত ছিল। রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞরা সম্প্রতি অভিযোগ করেছিলেন, ভারতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, নির্বিচারে আটক এবং শান্তিপূর্ণ জমায়েতে বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। বিক্ষোভ মোকাবিলায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছিলেন তাঁরা।

কেন জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি?

নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী দল ও ছাত্র সংগঠনগুলির অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বহু নাম বাদ পড়েছে এবং এর ফলে যোগ্য ভোটারদের ভোটাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ভোটার তালিকা থেকে মৃত, স্থানান্তরিত, পুনরাবৃত্ত এবং অন্যভাবে অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়াই এই সংশোধনের উদ্দেশ্য। ভুলবশত কারও নাম বাদ পড়লে আবেদন ও আপিলের সুযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।

ভারতের অবস্থান কী?

রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের সমালোচনার জবাবে ভারতও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। রাষ্ট্রসংঘে ভারতীয় কূটনীতিক বরখা তামরাকার বলেন, ভারতের সংবিধানে নাগরিকদের অধিকার রক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষিত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ভারতের বক্তব্য, যাচাই না করা অভিযোগ বা অসম্পূর্ণ পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। মানবাধিকারকে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি বা নির্দিষ্ট দেশকে নিশানা করার হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহার করা উচিত নয় বলে জানিয়েছে ভারত।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

8th Pay Commission: প্রাপ্ত বেতনের ভিত্তিতে গ্র্যাচুইটি কীভাবে হিসাব করা হয়? জানুন বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা
IPS Ankita Sharma: নীল শাড়ি, হাতে একে-৪৭! ছত্তিশগড়ের আইপিএস অঙ্কিতার ভিডিও ভাইরাল