
Supreme Court On Whatsapp: সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনা। এবার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ল হোয়াট্সঅ্যাপ (supreme court on whatsapp)। আমেরিকার এই মেসেজিং অ্যাপ সংস্থার গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভপ্রকাশ করলেন স্বয়ং দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত (supreme court on meta)।
সুপ্রিম কোর্টে মঙ্গলবার, হোয়াট্সঅ্যাপের নিয়ন্ত্রক সংস্থা মেটাকে উদ্দেশ্য করে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আপনারা কখনোই গোপনীয়তা নিয়ে খেলা করতে পারেন না। আমাদের কোনও তথ্য আমরা আপনাদের ফাঁস করতে দেব না।”
অপরদিকে, হোয়াট্সঅ্যাপের হয়ে সওয়াল করা আইনজীবী আদালতে যুক্তি দেন যে, আন্তর্জাতির নিয়মের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই তারা গোপনীয়তার নীতি তৈরি করেছেন। মেটার তরফ থেকে জানানো হয়, সংস্থার অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রেই একমাত্র তথ্য আদানপ্রদান করা হয়।
তবে সেই যুক্তি মানতে চায়নি দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, বাণিজ্যিক কাজে তথ্য আদানপ্রদান করাকে একেবারেই মান্যতা দেওয়া হবে না। ভারতের গোপনীয়তার নীতি এবং ইউরোপের এই সংক্রান্ত নিয়ম যে অনেকটাই আলাদা, সেটাও মনে করিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
দুই পক্ষের সওয়াল জবাব শেষ হয়। তারপর মেটা কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, “যদি আপনারা আমাদের সংবিধান মেনে চলতে না পারেন, তাহলে ভারত ছেড়ে চলে যান। আমরা নাগরিকদের গোপনীয়তার সঙ্গে কোনওরকম আপোস করতে দেব না।”
উল্লেখ্য, হোয়াট্সঅ্যাপের গোপনীয়তা সংক্রান্ত নীতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ আবার অনেক বিষয়ই স্পষ্ট নয়। সংস্থার গোপনীয়তার নথি একজন সাধারণ মানুষ, যিনি কোনও আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন! তিনি আদৌ বুঝতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে আদালতে।
এই প্রসঙ্গে মঙ্গলবার, অন্তর্বর্তী নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পরবর্তী শুনানির আগে ব্যবহারকারীদের কোনও তথ্য মেটার মাধ্যমে প্রকাশ্যে আনতে পারবে না হোয়াট্সঅ্যাপ। সেই তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে হোয়াট্সঅ্যাপ এবং মেটা কর্তৃপক্ষকে বক্তব্য জানানোরও নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ ন্যায়ালয়।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।