Theft incident reported from Lahurabir area of Varanasi
৫০০ বা ১০০০ নয়, একসঙ্গে ১০০০০টাকার অন্তর্বাস চুরি করলেন এক মহিলা। সুনীতা সোনি নামে এক মহিলার নামে অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় মহিলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং পুরসভার প্রাক্তন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর। যদিও সুনীতা এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
25
How the incident allegedly happened
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি ঘটে ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আমাতে স্টোর নামে একটি অন্তর্বাসের দোকানে। দোকানের মালিক সুদীপ সিং তাঁর এফআইআর-এ জানিয়েছেন, তিনজন মহিলা একসঙ্গে দোকানে ঢোকেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সেলসগার্ল অন্য দিকে তাকিয়ে জিনিস আনতে গেলে, এক মহিলা ব্যাগে বেশ কয়েকটি অন্তর্বাস ভরে নেন। এরপর দলটি কোনও টাকা না দিয়েই দোকান থেকে বেরিয়ে যায়। পরে স্টক মেলাতে গিয়ে চুরির বিষয়টি নজরে আসে। এরপর মালিক চেতগঞ্জ থানায় গিয়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় (চুরির অভিযোগ) মামলা দায়ের করেন।
35
Allegations against known public figure
অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, সুনীতা সোনি তাঁর মেয়ে এবং ননদের সঙ্গে দোকানে ঢুকেছিলেন। সুনীতা একজন পরিচিত মুখ এবং পুরসভার বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই এই অভিযোগটি সকলের নজর কেড়েছে। মামলাটি সামনে আসার পর, বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে তাঁর ছবিও অনলাইনে ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হচ্ছে।
স্থানীয় সমাজকর্মী চাঁদনী শ্রীবাস্তব এই ঘটনাকে লজ্জাজনক বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা এর আগেও প্রভাব খাটিয়ে পার পেয়ে গিয়েছেন, কিন্তু সিসিটিভি ফুটেজ পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে। তিনি অভিযুক্তদের সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
55
Accused denies wrongdoing
সুনীতা সোনি সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, জৌনপুর থেকে আসা মহিলা আত্মীয়দের সঙ্গে তিনি দোকানে গিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর পিছনে ব্যাগে কী জিনিস রাখা হয়েছিল, তা তিনি জানেন না। বিষয়টি জানার পর তিনি দোকানদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং প্রয়োজনে জিনিসের দাম মিটিয়ে দিতেও রাজি আছেন। তিনি আরও দাবি করেন, কিছু গোষ্ঠী তাঁকে বদনাম করার চেষ্টা করছে এবং তাদের 'তথাকথিত সংগঠন' বলে কটাক্ষ করেন।
অভিযোগ এবং সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। আধিকারিকরা ভিডিও প্রমাণ এবং জড়িত সব পক্ষের বয়ান খতিয়ে দেখবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন।