
Bangladesh News: ফের বর্বরতার শিরোনামে বাংলাদেশ। এবার ব্যবসায়ীকে মারধরের পর জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে, বাংলাদেশের শরীয়তপুরের ড্যামু়ডা এলাকায়। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, নিহত ব্যবসায়ী ওষুধের ব্যবসা করতেন। নাম খোকনচন্দ্র দাস। ৫০ বছর বয়সি ওই প্রৌঢ় বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দুস্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন। প্রথমে তাকে মারধর এবং পরে জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রের খবর, ঘটনার দিন অর্থাৎ বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে সারা দিনের রোজগারের টাকা নিয়ে অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিলেন খোকন দাস। সেই সময় কয়েক জন তাঁকে আক্রমণ করেন। মারধরের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিক বার তাঁকে কোপানো হয়। তার পর মাথায় পেট্রল ঢেলে আগুন গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। দুষ্কৃতীদের হাত থেকে বাঁচতে নিকটবর্তী পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন খোকন। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হন এবং দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। পুকুর থেকে উদ্ধার করে খোকনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। পরে সেখান থেকে ঢাকার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। আপাতত তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।
আক্রান্ত ব্যবসায়ীর স্ত্রীর অভিযোগ- দুস্কৃতীদের চিনে ফেলায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে পুকুরে ঝাঁপ দেওয়ায় বেঁচে গিয়েছেন তার স্বামী। তবে খোকন চন্দ্র দাসের কারও সঙ্গে কোনও রকম শত্রুতা নেই বলেও জানিয়েছেন তার স্ত্রী। কারা এই ঘটনা ঘটাল সেই বিষয়ে অবশ্য স্পষ্টভাবে কিছু জানা যায়নি।
অন্যদিকে, যে পেশাতেই থাকুন না কেন, হিন্দু হলে বাংলাদেশে রেহাই নেই। ময়মনসিংহ জেলার (Mymensingh District) ভালুকা উপজেলায় (Bhaluka Upazila) দীপু চন্দ্র দাশের (Dipu Chandra Das) নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দা, প্রতিবাদের মধ্যেই সেখানে ফের এক হিন্দু যুবককে খুন করা হল। নিহত যুবকের নাম বজেন্দ্র বিশ্বাস (Bajendra Biswas)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৪২ বছর।
তিনি আনসারের (Ansar) সদস্য ছিলেন। আনসার হল বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে থাকা এক বাহিনী। এই বাহিনীর সদস্যরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সরকারি দফতর, কারখানা, বিভিন্ন শিল্প সংস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন। আনসারের সদস্যদের হাতে অস্ত্র থাকে।
বজেন্দ্র ভালুকায় সুলতানা সোয়েটারস লিমিটেড (Sultana Sweaters Limited) নামে লাবিব গ্রুপ (Labib Group) অধীনস্থ পোশাক তৈরির কারখানায় নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন ছিলেন। সেখানেই তাঁকে গুলি করেন খুন করেন সহকর্মী নোমান মিয়া (Noman Mia)। সোমবার সন্ধে ৬টা বেজে ৪৫ মিনিটে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত আনসার সদস্য নোমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।