India Bangladesh Bus Service: এই বাস সার্ভিস চালু হওয়ার ফলে, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক যে ভালো দিকেই এগোচ্ছে, সেটাও প্রমাণিত (india bangladesh bus service name)।
India Bangladesh Bus Service: গোলমাল পাকিয়েছিলেন ইউনূস। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারত-বাংলাদেশ বাস সার্ভিস পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যায়। কার্যত, বাংলাদেশ রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে বন্ধ হয়ে যায় আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা বাস চলাচল (kolkata dhaka agartala bus)।
পুনরায় চালু হল ভারত-বাংলাদেশ বাস পরিষেবা
ফলে, ত্রিপুরার মানুষকে রেলপথের উপরেই ভরসা করতে হচ্ছিল এতদিন। কিন্তু এবার সেই সমস্যার সমাধান হল। টানা ১৮ মাস পর, চালু হল আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা বাস চলাচল। সেইসঙ্গে, এই বাস সার্ভিস চালু হওয়ার ফলে, ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক যে ভালো দিকেই এগোচ্ছে, সেটাও প্রমাণিত (india bangladesh bus service name)।
আপাতত সপ্তাহে দু-বার করে চলবে এই বাস। পরবর্তীতে বাসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। মঙ্গলবার, কলকাতা-ঢাকা-আগরতলার বাসটি মোট ২০জন যাত্রী নিয়ে ত্রিপুরায় পৌঁছয়। রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টে যাত্রীদেরকে স্বাগত জানান। অন্য আরেকটি বাস আবার আগরতলা থেকে কলকাতার উদ্দেশ্য রওনা দেয়।
'রয়্যাল-মৈত্রী' আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা
প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা ক্ষমতা থেকে সরে যেতেই বাংলাদেশে তৈরি হয় এক অরাজকতা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা। খোদ মহম্মদ ইউনূস ভারতের বিরুদ্ধে নানারকমের মন্তব্য করতে শুরু করেন। তারপরেই আগরতলা-কলকাতা বাস পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
গত এক বছর ধরে এই রুটে 'রয়্যাল-মৈত্রী' আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবাটি পুরোপুরিভাবে বন্ধ ছিল। একজন কর্তার কথায়, সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বাস অপারেটররা পুনরায় এই পরিষেবাটি চালু করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
অন্যদিকে, পরিবহণ মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে লেখেন, “বন্ধুত্ব ছাড়া উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়। বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতার মাধ্যমেই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হয়। বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে; এবং এটাই বাস্তব ও অনস্বীকার্য সত্য।"
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

