'হিউম্যান এরর'-এ প্রাণ গেল ১৭৬ জনের, ইরানের স্বীকারোক্তি ঘিরে বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভ

Published : Jan 11, 2020, 10:30 AM ISTUpdated : Jan 11, 2020, 12:31 PM IST
'হিউম্যান এরর'-এ প্রাণ গেল ১৭৬ জনের, ইরানের স্বীকারোক্তি ঘিরে বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভ

সংক্ষিপ্ত

অবশেষে এল স্বীকারোক্তি, প্লেন ক্র্যাস নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইরানের ইউক্রেনের বিমানের ভেঙে পড়া নিয়ে চাপ বাড়ছিল ইরানের উপরে মার্কিন সেনার হামলায় ভয়ে ইরান মিসাইল তাক করে রেখেছে এহেন পরিস্থিতিতে যা ঘটেছে তাতে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে   

একেই বলে রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়। ইরানের মাটিতে ইউক্রেনের ভেঙে পড়া যাত্রীবিমান এবং তাতে থাকা ১৭৬ যাত্রীর করুণ পরিণতিতে এই প্রবাদবাক্য যথাযথ। কারণ, অবশেষে তেহরান স্বীকার করেছে তাদের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভেঙে পড়েছে যাত্রীবাহী বিমান। এটাকে 'হিউম্যান এরর' বলে দাবিও করা হয়েছে। 

ইউক্রেনের বোয়িং ৭৩৭-৮০০ বিমানটি ইরানের তেহরানের কাছে ভেঙে পড়েছিল। এই ঘটনা নিয়ে প্রথম থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে গুজ্ঞন শুরু হয়। ইউক্রেন কড়া বিবৃতি দিয়ে জানায় ঘটনার পিছনে অন্যকিছু রয়েছে। আমেরিকাও আগ বাড়িয়ে বলে ক্ষেপণাস্ত্র-এর আঘাতেই বিমানটি ভেঙে পড়েছে। এর জন্য ইরানকেও দায়ী করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু, ইরান বারবার দাবি করে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই বিমানটি ভেঙে পড়েছে। যার জেরে বিমানটিতে থাকা ১৭৬ সওয়ারির-ই মৃত্যু হয়েছে। বিমান ভেঙে পড়া আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে নিয়ে দাবি আর পাল্টা দাবিতে সরগরম হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। 

আমেরিকার যুক্তি ছিল বিমানটি ভেঙে পড়ার কিছুক্ষণ আগেই বাগদাদে আমেরিকার সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান মিলিটারি দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। তৃতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করতে গিয়ে তা বিমানে আঘাত করেছিল বলে ওয়াশিংটনের দাবি ছিল। 

বিমানটি যে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য ভেঙে পড়েনি তা আন্তর্জাতিক মহলের কাছেও বোধগম্য হয়েছিল। এরপর থেকেই তেহরানের উপর চাপ বাড়তে থাকে আন্তর্জাতিক মহলের। ইরানের মিত্রদেশগুলোও তেহরানের উপর চাপ বাড়াতে থাকে। শেষমেশ শনিবার সকালে ইরান মিলিটারি স্বীকার করে নেয় ইউক্রেনের বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র-ই আঘাত করেছিল। তবে, ইচ্ছাকৃতভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়নি বলেও সেইসঙ্গে দাবি করেছে ইরান মিলিটারি। তাদের দাবি, প্লেনটি বিপজ্জনকভাবে রুট থেকে বেরিয়ে একটি সেনা ঘাঁটির দিকে চলে গিয়েছিল। পরিস্থিতি ঠিকমতো ঠাহর করে ওঠার আগেই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ হয়ে গিয়েছিল। এই ঘটনা পুরোপুরি হিউম্যান এরর বলেও দাবি করেছে ইরান মিলিটারি। তবে, ইরান মিলিটারির এই দাবি আন্তর্জাতিক মহলে আমেরিকার সহযোগী দেশগুলি মানতে রাজি নয়।

PREV
click me!

Recommended Stories

Dinosaur Blood Discovery: ব্রাজিলে মিলল ১১.৫ কোটি বছরের পুরোনো ডাইনোসরের রক্ত!
Israel Politics: খসড়া আইন নিয়ে সুর নরম লিবারম্যানের, হাত মেলাবেন কট্টরপন্থীদের সঙ্গে