'ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যাননি' তারেকের চিন সফর নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী

Published : Jun 29, 2026, 02:55 PM ISTUpdated : Jun 29, 2026, 02:58 PM IST
bangladesh pm tarique rahman first foreign trip china malaysia india relations teesta project

সংক্ষিপ্ত

প্রায়শই পাকিস্তানের প্রসঙ্গে 'ভিক্ষার ঝুলি'র কথা আলোচনা করা হয়, যে দেশটি সাহায্যের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। কিন্তু এবার আলোচনাটি বাংলাদেশকে ঘিরে মোড় নেয় এবং আলোচনাটি এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন। আসলে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের চিন সফরকে ঘিরে একটি অদ্ভুত বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

প্রায়শই পাকিস্তানের প্রসঙ্গে 'ভিক্ষার ঝুলি'র কথা আলোচনা করা হয়, যে দেশটি সাহায্যের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। কিন্তু এবার আলোচনাটি বাংলাদেশকে ঘিরে মোড় নেয় এবং আলোচনাটি এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন। আসলে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমানের চিন সফরকে ঘিরে একটি অদ্ভুত বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চিনের আর্থিক সহায়তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের বারবার প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে চিনে যাননি। তিনি সেখানে দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণ করতে গিয়েছেন।"

আসলে প্রধানমন্ত্রীর সফর প্রসঙ্গে ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোনও দেশের কোনও নেতাই 'ভিক্ষার ঝুলি' নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অংশ নেন না। বেজিং থেকে সরাসরি প্রকল্প সহায়তা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আপনারা নগদ অর্থ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেছেন। ভাইয়েরা, দয়া করে এমন প্রশ্ন করবেন না। এতে আমরা বিব্রত হই। দুই দেশের সম্পর্কের দিকনির্দেশনা, বিষয়বস্তু, মাত্রা, পরিধি ও গভীরতা নির্ধারণ করতেই প্রধানমন্ত্রী সেখানে গিয়েছিলেন। কোনও সরকার প্রধানই অন্য দেশের নেতার সঙ্গে কলম-কাগজ নিয়ে বসেন না, কিংবা ভিক্ষার ঝুলি নিয়েও যান না। দয়া করে কিছুটা আত্মসম্মান বজায় রাখুন।"

 

 

বাংলাদেশের ১৩তম সংসদ নির্বাচনে জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সরকার প্রধান তারিক তাঁর প্রথম বিদেশ সফরে ২১ জুন মালয়েশিয়ায় পৌঁছন। পরদিন তিনি উত্তর-পূর্ব চিনের শহর দালিয়ানে যান। সেখানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভায় যোগ দেওয়ার পর তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করতে বুধবার বেজিংয়ে পৌঁছন। এই সফরে তারিক চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন। ঢাকা ও বেজিং বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। দুই দেশের মধ্যে তেরোটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তিস্তা নদী মহাপরিকল্পনা, চিনের কারিগরি সহায়তা, মংলা বন্দর ও আনোয়ারা সংলগ্ন অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সড়ক, সেতু, রেলপথ-সহ পরিকাঠামো, জ্বালানি, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Seychelles: ৫০তম স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে ভারতের জয়জয়কার, হাজির প্রধানমন্ত্রী মোদী
Europe AC Rule: তাপপ্রবাহে পড়ুছে ইউরোপ, চাইলেই ওখানে এসি লাগানো যায় না, নিয়মটা কী?