
দুবাই: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে। মঙ্গলবার উপসাগরীয় দেশগুলোর রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। পবিত্র শহর মক্কায় হামলার চেষ্টার ঘটনায় হুথিদের পরোক্ষভাবে সমর্থন করেছে ইরান। তাদের সাফাই, শুধু একটা ড্রোন ধ্বংস হয়েছে বলেই কাউকে দোষারোপ করা যায় না।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ফাঁকে উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে ট্রাম্পের এই বৈঠক হওয়ার কথা। আর এর মাঝেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। পরমাণু ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে ইরানের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পালটা ঘুঁটি সাজাচ্ছে ইরানও। চিনের সঙ্গে তারা আলোচনা সেরে ফেলেছে। বেজিংয়ে বসেই পাক সেনাপ্রধান এবং তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। অন্যদিকে, মক্কায় হুথিদের হামলার চেষ্টার অভিযোগে পরোক্ষভাবে হুথিদেরই সমর্থন করছে ইরান।
ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, "শুধু একটা ড্রোন ধ্বংস হয়েছে বলে কাউকে কাঠগড়ায় তোলা যায় না। পবিত্র শহরগুলোকে নিয়ে রাজনীতি করা বা তাকে সংঘাতের মধ্যে টেনে আনা উচিত নয়।" এর পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালীর বিকল্প পথ খোলা এবং শান্তি ফেরানোর বিষয়ে কাতার ও সৌদি আরবের সঙ্গে কথা বলেছে ফ্রান্স। ইয়ানবুর বদলে উপসাগরীয় উপকূল দিয়েই জাহাজে করে তেল সরবরাহ করেছে সৌদি আরব। এতে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
এএফপি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, হুথিদের হামলা ঠেকাতে আকাশপথে প্রতিরক্ষার জন্য পাকিস্তান, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং মিশরের সাহায্য চেয়েছে সৌদি আরব। যদিও সৌদি এখনও এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেনি। অন্যদিকে, সুইডেনে এক ইরানি কূটনীতিককে বহিষ্কার করার বদলা হিসেবে, নিজেদের দেশ থেকে এক সুইডিশ কূটনীতিককে তাড়িয়ে দিয়েছে ইরান।