School Holidays News: বছরে ১৮৫ দিন ছুটি, জানেন বিশ্বের কোন দেশে ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত পরীক্ষা দিতে হয় না পড়ুয়াদের?

Published : Jul 10, 2026, 05:56 PM IST

School Holidays News: আমরা ভাবি, যত বেশি নম্বর, তত ভালো ছাত্র। কিন্তু একটি দেশ এই ধারণার ঠিক উল্টো পথে হেঁটে নিজেদের শিক্ষাব্যবস্থা চালায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন সেই দেশ আর কী তার বিশেষত্ব। বছরে কতদিন স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের? জানুন বিশদে…

PREV
15
ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা একদম অন্যরকম
ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্য আর ভালো থাকাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। এখানকার শিক্ষাব্যবস্থা ভারতের মতো পরীক্ষা, টিউশন আর প্রতিযোগিতার চাপে ভরা নয়। এখানে শিশুরা খেলাধুলার মাধ্যমে শেখে, হোমওয়ার্ক থাকে খুব কম, আর ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত কোনও বড় পরীক্ষাই দিতে হয় না। এই চাপমুক্ত পরিবেশ শিশুদের সার্বিক বিকাশে সাহায্য করে।
25
বছরে ১৮০ দিন মাত্র স্কুল
বিশ্বে সবচেয়ে কম দিন স্কুল খোলা থাকে ফিনল্যান্ডে, বছরে মাত্র ১৮০ দিন। অর্থাৎ, প্রায় ১৮৫ দিনই ছুটি। অন্যদিকে, ভারতে স্কুল খোলা থাকে প্রায় ২৪০ দিন। শুধু তাই নয়, ফিনল্যান্ডের একজন শিক্ষক বছরে গড়ে ৬০০ ঘণ্টা পড়ালে, ভারতে সেই সময়টা প্রায় ১৭০০ ঘণ্টা। ভারতে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলের পর টিউশনের অতিরিক্ত বোঝাও বহন করে, যা তাদের খেলাধুলা বা বিশ্রামের সময় কেড়ে নেয়।
35
মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব
ভারতে অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা আর পরীক্ষার বোঝা ছাত্রছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর প্রভাব ফেলে। ঘুম কম হওয়া, উদ্বেগ আর তীব্র মানসিক চাপের মতো সমস্যা অনেক শিশুর মধ্যেই দেখা যায়। স্কুলের পর রোজ গড়ে ২-৩ ঘণ্টা টিউশনে কাটাতে হয়। খেলাধুলা বা নিজের পছন্দের কাজ করার সময় না পাওয়ায় তাদের শৈশবের আনন্দ হারিয়ে যায় এবং সার্বিক বিকাশও বাধা পায়।
45
শিক্ষকরাই ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থার মেরুদণ্ড
ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থার মেরুদণ্ড হলেন শিক্ষকরা। সেখানে এই পেশা অত্যন্ত সম্মানীয়। সব স্তরের শিক্ষকদের মাস্টার্স ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক। তাঁরা নিজেদের ক্লাসরুমে পড়ানোর পদ্ধতি বেছে নেওয়ার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পান। শিক্ষকরা শুধু সিলেবাস শেষ করেন না, বরং প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর ব্যক্তিগত প্রয়োজনের দিকেও নজর দেন। এর ফলে পড়ুয়ারা নিজেদের মতো করে শেখার সুযোগ পায়।
55
ভারত কী শিখতে পারে?
ফিনল্যান্ডের শিক্ষাব্যবস্থা থেকে ভারতের অনেক কিছু শেখার আছে। প্রথমত, একটি চাপমুক্ত শেখার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। পরীক্ষার বোঝা কমিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্ব দিতে হবে। পাঠ্যসূচিতে খেলাধুলা এবং সৃজনশীল কাজকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং তাঁদের পেশাগত সম্মান বাড়ালে শিক্ষার মান উন্নত হবে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
Read more Photos on
click me!

Recommended Stories