Bangkok Pub Fire: ব্যাঙ্ককের পাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জনের মৃত্য, আহত ৬৩

Published : Jul 13, 2026, 09:16 AM IST
Bangkok Fire

সংক্ষিপ্ত

সোমবার ভোরের দিকে ব্যাঙ্ককের একটি পাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আগুনটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং ভেতরে থাকা বহু মানুষ আটকে পড়েন। পরে দমকলকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, মধ্যরাতের পরপরই উত্তর ব্যাঙ্ককের ‘না লাদপ্রাও’ (Na Ladprao) পাবে আগুন লাগে।

সোমবার ভোরের দিকে ব্যাঙ্ককের একটি পাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৭ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। আগুনটি কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং ভেতরে থাকা বহু মানুষ আটকে পড়েন। পরে দমকলকর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, মধ্যরাতের পরপরই উত্তর ব্যাঙ্ককের ‘না লাদপ্রাও’ (Na Ladprao) পাবে আগুন লাগে। আহত ৬৩ জনের মধ্যে ২২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

উদ্ধারকর্মীদের তোলা ভিডিওতে দেখা যায়, পাবের প্রবেশপথ দিয়ে আগুনের লেলিহান শিখা বেরিয়ে আসছে এবং আতঙ্কিত লোকজন পালানোর চেষ্টা করছে। ঘন কালো ধোঁয়া দ্রুত পুরো এলাকা গ্রাস করে ফেলায় অনেকের জন্যই বের হওয়ার পথ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। উদ্ধারকর্মীরা জানান, মধ্যরাতের দিকে তাঁরা অগ্নিকাণ্ডের খবর পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে দল পাঠান। অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল নিশ্চিত করেন যে, অন্তত ২৭ জন মারা গেছেন। আহত আরও কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কীভাবে এই প্রাণঘাতী আগুনের সূত্রপাত হল তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। উপ-প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের মতে, ধারণা করা হচ্ছে একটি সার্কিট ব্রেকার থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখার পর মঞ্চের কাছেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। আনুতিন জানান, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে মঞ্চে পারফর্ম করা শিল্পীরা একটি সার্কিট ব্রেকার থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেছিলেন। বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরপরই একটি বিস্ফোরণ ঘটে এবং এরপরই আগুন দ্রুত পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাঙ্ককের গভর্নর চাডচার্ট সিত্তিপুন্ট জানান, আগুন দ্রুত ছাদে ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘন বিষাক্ত ধোঁয়া তৈরি করে। এই ধোঁয়া কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো পাবটি পূর্ণ করে ফেলে এবং ভেতরে থাকা মানুষদের আটকে ফেলে। উপ-প্রধানমন্ত্রী জানান, বেশ কয়েকটি দেহ বাড়ির পেছনের দিকের টয়লেটের কাছে পাওয়া গেছে, যা থেকে বোঝা যায় যে তাঁরা সম্ভবত ঘন ধোঁয়া ও আগুন থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন। তিনি আরও বলেন, আগুনে পুড়ে যাওয়ার চেয়ে ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টেই অধিকাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে বিনোদনকেন্দ্রে ঘটা অগ্নিকাণ্ডগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম প্রাণঘাতী ঘটনা, যা অতীতের মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। ২০২২ সালে পূর্ব থাইল্যান্ডের একটি মিউজিক পাবে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জন নিহত এবং আরও অনেকে আহত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের নববর্ষের দিনও দেশটি একটি ভয়াবহ নাইটক্লাব বিপর্যয়ের সাক্ষী হয়েছিল। সান্তিকা নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে তখন ৬৬ জন নিহত এবং ২০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হন।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Nepal Agit: কাঠমান্ডুতে বাইক আরোহীর আত্মাহুতি, বালেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ক্রমশই বাড়ছে
Hormuz Strait: আবার বন্ধ হরমুজ প্রণালী? একতরফা চুক্তির দিন শেষ! আমেরিকাকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের