Meghalaya Govt on Bangladeshi Fish: বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে অবৈধ ভাবে আসা মাছের বিক্রি, রফতানি ও পরিবহন বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা মেঘালয় সরকারের। নয়া এই নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছে? বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
ভারতের বাজারে আর পাওয়া যাবে না বাংলাদেশি মাছ! অবৈধ ভাবে চোরাপথে আসা মাছের বিক্রি বন্ধ ও পরিবহন-রফতানির ক্ষেত্রে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করল মেঘালয় সরকার। সূত্রের খবর, প্রায় প্রতিদিন মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশের প্রচুর মাছ ভারতের বাজারে ঢোকে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ অতিরিক্ত লাভের আশায় কিছু চোরাপথ ব্যবহার করে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে এই রাজ্যে তাদের দেশের মাছ প্রবেশ করাচ্ছে। এতে যেমন জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে তেমন ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতি নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। এই অবস্থায় বাংলাদেশি মাছ ভারতের বাজারে বিশেষ করে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে দেশের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে ঢুকতে না পারে তার জন্য কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছে মেঘালয় প্রশাসন।
25
কেন এই সিদ্ধান্ত মেঘালয় সরকারের?
মেঘালয় প্রশাসন সূত্রে খবর, গত কয়েক দিন ধরেই মেঘালয় সরকারের কাছে খবর আসছিল যে, এই রাজ্যের বিভিন্ন চেক পয়েন্ট বা অবৈধ চোরাপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ মাছ ভারতের বাজারে বা বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই রাজ্যে ঢুকে পড়ছে। আর এতেই নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে মেঘালয় সরকার। এরফলে অবৈধকৃত মাছের আমদানি বন্ধ করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেঘালয় সরকার।
35
অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশ থেকে আসা মাছের আমদানি নিষিদ্ধ
সূত্রের খবর, মেঘালয় রাজ্যের পূর্ব খাসি হিলস জেলায় বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে আসা মাছের পরিবহন, মজুত এবং বিক্রির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বৈধ কাগজপত্রহীন কোনও মাছ জেলায় প্রবেশ করতে পারবে না। প্রশাসনের পদক্ষেপ ইষ্ট খাসি হিলসের ভারপ্রাপ্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা BNSS ২০২৩-এর ১৬৩ নম্বর ধারার অনুযায়ী এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন বলে জানা গিয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে আমদানিকৃত মাছের পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।বৈধ আইনি নথি ছাড়া মাছ মজুত বা বিতরণ করা যাবে না। জেলার কোনও বাজার বা এলাকায় এই ধরণের মাছ বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য করা হবে। এবং ধরা পড়লে জরিমানা ও শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
55
মেঘালয়ের কোন জেলার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা?
আরও জানা গিয়েছে যে, গত কয়েকদিনে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মাছ আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সীমান্ত বাণিজ্য নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এবং আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।