এই অভ্যর্থনা কি শুধুই সৌজন্য, নাকি কোনও বড় ইঙ্গিত?
তেহরান বিমানবন্দরে এই সাক্ষাৎ এমন একটা সময়ে হল, যখন ইরান আর আমেরিকার মধ্যে আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব গতি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের ভূমিকা হঠাৎই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আরাঘচি খোলাখুলি পাকিস্তানের প্রশংসা করে বলেন, ইসলামাবাদ ইরান-আমেরিকা আলোচনার “দুর্দান্ত আয়োজন” করেছে। কূটনীতিকরা মনে করছেন, এই মন্তব্য শুধু সৌজন্য নয়, বরং একটি কৌশলগত ইঙ্গিত। পাকিস্তান এখন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।