Pakistan Corruption: পাকিস্তানের ৮৫০ কোটির দুর্নীতি! পর্দা ফাঁস করাচির বাস প্রকল্পে কেলেঙ্কারির

Published : Jul 05, 2026, 07:26 PM IST
Pakistan Bureaucrat Jailed in PKR 8 5 Billion Karachi Transit Scam

সংক্ষিপ্ত

পাকিস্তানের করাচিতে ৮৫০ কোটি টাকার এক বিশাল দুর্নীতি কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত জামির আব্বাসিকে জেলে পাঠানো হয়েছে। করাচি মোবিলিটি প্রজেক্টের বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (BRT) ইয়েলো লাইন প্রকল্পে এই দুর্নীতি হয়েছে। আব্বাসি জামিনের আবেদন করলেও আদালত তাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। 

পাকিস্তানে সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির শিকড় যে কত গভীরে, তা আরও একবার স্পষ্ট হল। করাচিতে ৮৫০ কোটি টাকার এক বিরাট দুর্নীতিতে মূল অভিযুক্ত এবার জামিনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ডন-এর রিপোর্টে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এই কেলেঙ্কারিটি করাচি মোবিলিটি প্রজেক্টের (KMP) বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (BRT) ইয়েলো লাইন নিয়ে। সিন্ধ প্রদেশের দুর্নীতি দমন আদালত এই মামলায় সরকারি আইনজীবী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (IO) নোটিস দিয়েছে। আগামী ১১ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

এর মধ্যেই বিচারক মূল অভিযুক্ত জামির আব্বাসিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

সিন্ধের অ্যান্টি-কারাপশন এস্ট্যাবলিশমেন্ট (ACE) এই মামলাটি দায়ের করে। আব্বাসি ছিলেন গ্রেড-১৯ এর একজন কর্মকর্তা এবং KMP-র প্রজেক্ট ডিরেক্টর। তার সঙ্গে তৎকালীন প্রকিউরমেন্ট ডিরেক্টর ঝামান দাস-সহ আরও কয়েকজনের নামও রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর পরিদর্শন, অনুসন্ধান ও প্রয়োগকারী দলের (CMIE&ITD) একটি তদন্ত রিপোর্টের পরেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। রিপোর্টে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক নয়ছয়ের কথা বলা হয়েছিল, জানিয়েছে ডন।

আব্বাসির পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, তদন্তকারী ইন্সপেক্টর শের জামান তাকে আদালতে পেশ করেন। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্ত শেষ হয়েছে। অ্যান্টি-কারাপশন এস্ট্যাবলিশমেন্টের (ACE) তদন্তকারী দলের এক সদস্য আদালতে জানান, কোনও ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি ছাড়াই লক্ষ লক্ষ টাকার পেমেন্ট করা হয়েছে, যা সরকারি তহবিলের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

এইসব তথ্যের ভিত্তিতে আদালত প্রভাবশালী এই আমলাকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত জেলে পাঠিয়েছে। জেলের সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পরবর্তী শুনানিতে তাকে যেন ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে হাজির করা হয়।

এই মামলায় পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৪৭৭-এ এবং ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি কর্মচারী হিসেবে বিশ্বাসভঙ্গ, জালিয়াতি, প্রতারণা এবং হিসাব বিকৃত করার মতো গুরুতর অভিযোগ। এর সঙ্গে ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারাও যুক্ত করা হয়েছে বলে ডন-এর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Trump-Iran Spat: ট্রাম্পের 'এক শটে সব শেষ' মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ইরান, দিল কড়া প্রতিক্রিয়া
Expensive Funerals: ইতিহাসের সবচেয়ে দামি ৫ শেষকৃত্য! শীর্ষে আলেকজান্ডার, খামেনেই কত নম্বরে?