
Khyber Pakhtunkhwa: পাকিস্তানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হল। এই প্রদেশে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (Pakistan Tehreek-e-Insaf) সরকার ছিল। পাকিস্তানে শুধু এই প্রদেশেই ইমরানের দলের সরকার ছিল। কিন্তু জরুরি অবস্থা জারি করে এই সরকারকে উৎখাত করা হল। খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসন চালু করা হয়েছে। ইমরানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif) সরকারের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি (Asif Ali Zardari) সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন। পাকিস্তান সরকারের দাবি, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে এবং সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। এই কারণেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে বলে দাবি পাকিস্তান সরকারের।
ইমরানের দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর আঘাত। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকার ও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশ সরকারের মধ্যে সংঘাত বাড়বে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার শেহবাজের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে খাইবার পাখতুনখাওয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। আফগানিস্তান (Afghanistan) সীমান্তবর্তী এই প্রদেশে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান-সহ (Tehreek-e-Taliban Pakistan) বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলার ঘটনা বাড়ছে। পাকিস্তান সরকারের দাবি, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়া সরকার যথাযথ সহযোগিতা করেনি। আফগানিস্তান সরকার জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতা-কর্মীরা ইসলামাবাদের (Islamabad) উদ্দেশে লং মার্চ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ইমরানের দলের সরকার ভেঙে দিল পাকিস্তান সরকার। এই সিদ্ধান্তে ইমরানের দলের নেতা-কর্মীরা ক্ষুব্ধ। তাঁরা নতুন করে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে খাইবার পাখতুনখাওয়ার ফয়জল করিম কুন্দি হঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে কঠোর হাতে মোকাবিলা করা হবে।’
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।