Pakistan Blast: রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে (United Nations General Assembly) পাকিস্তান সরকার যখন সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভাষণ দিচ্ছে, ঠিক তখনই ফের বিস্ফোরণে রক্তাক্ত হয়ে উঠল পাকিস্তান। বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা নতুন কিছু নয়। ফের একই ঘটনা দেখা গেল।

DID YOU
KNOW
?
পাকিস্তানে সঙ্কট চরমে
পাকিস্তানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক বিস্ফোরণ, হামলা হয়ে চলেছে।

Dera Ismail Khan Blast: ফের বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল পাকিস্তান (Pakistan)। শনিবার খাইবার-পাখতুনখাওয়ার (Khyber-Pakhtunkhwa) ডেরা ইসমাইল খান জেলার দারাজিন্দা অঞ্চলে আমান মেলা চেকপোস্টের কাছে বিস্ফোরণে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে খাইবার-পাখতুনখাওয়া রেসকিউ ১১২২। রেসকিউ ১১২২-এর মুখপাত্র বিলাল আহমদ ফাইজি জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পরেই দারাজিন্দা স্টেশনের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণকাজ শুরু করে। আহত হওয়া ৩০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনের মৃতদেহও উদ্ধার করা হয়েছে।

বিস্ফোরণের পর শুরু উদ্ধারকার্য

বিস্ফোরণের পর উদ্ধারকাজে ছ’টি অ্যাম্বুল্যান্স, একটি দমকলের গাড়ি এবং ২৫ জনের বেশি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি কারাক ও হাঙ্গু থেকেও অতিরিক্ত অ্যাম্বুল্যান্স ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। ডেরা ইসমাইল খান জেলা ইমার্জেন্সি অফিসার মহম্মদ আরিফ খানের নির্দেশে আরও চারটি অ্যাম্বুল্যান্স এবং উদ্ধারকারী কর্মী পাঠানো হয়েছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা এবং হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রেসকিউ কর্তৃপক্ষ।

দায় এড়াতে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগ

এই বিস্ফোরণের নির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনার বিষয়ে খাইবার পাখতুনখাওয়ার গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন। তবে গভর্নর তাঁর বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান খারিজি’ নামে অভিহিত করে ভারতের সমর্থনপুষ্ট সন্ত্রাসবাদীদের ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করেছেন। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে কোনও প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়নি। নিজেদের দায় এড়াতে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন গভর্নর। এর আগে গত সপ্তাহেই কোহাট পুলিশ লাইন্সের কাছে একটি মসজিদের সামনে বিস্ফোরণে ২৩ জন নিহত হন। যাঁদের মধ্যে ১৫ জন পুলিশকর্মী ছিলেন। বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি বিস্ফোরণের পর সন্ত্রাসবাদীরা পুলিশ কম্পাউন্ডে ঢুকে হামলা চালায় বলে জানা গিয়েছে। আফগানিস্তানভিত্তিক হাফিজ গুল বাহাদুরের নেতৃত্বাধীন ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি) ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।