'LoC সরাও, জম্মু ও কাশ্মীরের রাস্তা খোলো', PoK-তে ফের বড় বিক্ষোভ, রাস্তায় ২৫ হাজার মানুষ

Published : Sep 28, 2026, 10:58 AM IST
PoK protest

সংক্ষিপ্ত

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)-এ ফের বড়সড় বিক্ষোভ। মন্ধোল গ্রামে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, LoC বা নিয়ন্ত্রণরেখা ও সেখানে থাকা কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি পুঞ্চ ও মেন্ধরের সঙ্গে সংযোগকারী পুরনো রাস্তা ফের খুলে দেওয়ার দাবিও উঠেছে।

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)-এ ফের বড়সড় বিক্ষোভ। মন্ধোল গ্রামে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, LoC বা নিয়ন্ত্রণরেখা ও সেখানে থাকা কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি পুঞ্চ ও মেন্ধরের সঙ্গে সংযোগকারী পুরনো রাস্তা ফের খুলে দেওয়ার দাবিও উঠেছে। মন্ধোল গ্রামটি LoC থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে। সোমবারের এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (JKJAAC) নেতা সর্দার আমান খান। গত কয়েক মাস ধরে PoK-তে চলা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ তিনি।

LoC ও ফেন্সিং সরানোর দাবি

সমাবেশে আমান খান বিক্ষোভকারীদের সামনে একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, সিজফায়ার লাইন তুলে দেওয়া উচিত কি না এবং LoC-তে থাকা ফেন্সিং সরানোর দাবিতে সেখানে ধর্নায় বসা উচিত কি না। পাশাপাশি পুঞ্চ ও মেন্ধরের পুরনো যোগাযোগের পথ ফের খুলে দেওয়ার দাবিও তোলেন তিনি। তিনটি দাবিতেই উপস্থিত জনতা সমর্থন জানায়। আমান খান জানান, খুব শীঘ্রই LoC-এর ফেন্সিংয়ের কাছে ধর্না শুরু করা হবে। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে ভারতের পুরনো যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের দাবিতেই এই কর্মসূচি নেওয়া হবে।

পাকিস্তান সেনার বিরুদ্ধেও অভিযোগ

সমাবেশ থেকে পাকিস্তান সেনার বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তোলেন আমান খান। তাঁর দাবি, LoC এলাকায় গোলাগুলি শুরু হলে পাকিস্তানি সেনার সদস্যরা ব্যারাকে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সময় স্থানীয় বাসিন্দারাই তাঁদের আশ্রয় দিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। অমান খান অভিযোগ করেন, কঠিন সময়ে সেনাদের সাহায্য করা সেই স্থানীয় বাসিন্দাদেরই গত কয়েক মাসের আন্দোলনের সময়ে পাকিস্তান সেনার নিশানা হতে হয়েছে।

PoK জুড়ে বাড়ছে আন্দোলন

মন্ধোলের এই সমাবেশকে PoK-তে চলা বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এর আগে রাওয়ালাকোট-সহ বিভিন্ন এলাকাতেও বড় বিক্ষোভ হয়েছে। স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আন্দোলনকারীরা। JKJAAC-এর নেতারা নিজেদের বক্তব্যে 'আজাদ কাশ্মীর' নামটিও প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তাঁদের দাবি, এই অঞ্চলকে দখলীকৃত এলাকা হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত। মন্ধোলের সমাবেশ থেকে ফের পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণের অবসান, LoC-এর ফেন্সিং সরানো এবং পুঞ্চ-মেন্ধরের পুরনো রাস্তা খুলে দেওয়ার দাবি সামনে এসেছে। এবার LoC-এর কাছে ধর্নার ঘোষণা হওয়ায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘিরে নতুন করে নজর তৈরি হয়েছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Global Terrorism Index 2026: সন্ত্রাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ পাকিস্তান! রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
US-Iran Conflict: 'আগে টাকা, পরে কথা', ইরানের প্রস্তাব হরমুজ প্রস্তাব খারিজ কারণ জানাল আমেরিকা