দু'বার সন্ন্য়াসী হতে গিয়ে বাদ, শেষে হিমালয়ে দু'বছর কাটান মোদী

Published : Jan 13, 2020, 12:12 AM IST
দু'বার সন্ন্য়াসী হতে গিয়ে বাদ, শেষে হিমালয়ে  দু'বছর কাটান মোদী

সংক্ষিপ্ত

 জীবনে সন্ন্যাসী হতে দু'বার চেষ্টা করেন নরেন্দ্র মোদী কিন্তু প্রতিবারই তাঁকে খালি  হাতে ফেরত পাঠায় মহারাজরা  শেষে নিজেই ঈশ্বরের খোঁজে হিমালয়ে বেরিয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদীর জীবনের এই অজানা তথ্য় জানান বেলুড় মঠ ও মিশনের অধ্য়ক্ষ   

একবার নয়, জীবনে সন্ন্যাসী হতে দু'বার চেষ্টা করেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু প্রতিবারই তাঁকে খালি  হাতে ফেরত পাঠায় মহারাজরা। শেষে নিজেই ঈশ্বরের খোঁজে হিমালয়ে বেরিয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি মোদীর জীবনের এই অজানা তথ্য় তুলে ধরেন বেলুড় মঠ ও মিশনের অধ্য়ক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ মহারাজ।

বেলুড় মঠে প্রথম চেষ্টা ব্য়র্থ হতে মঠের শাখায় ফের সন্ন্য়াসী হওয়ার প্রয়াস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর জীবনের তথ্য় দিতে  গিয়ে বেলুড় মঠের অধ্য়ক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ মহারাজ জানান, প্রথমে বেলুড় মঠে সন্ন্য়াসী হতে এসেছিলেন মোদী। সেই সময় মঠের দায়িত্বে ছিলেন স্বামী মাধবানন্দজি মহারাজ। মোদীর বয়স কম থাকায় তাঁকে আরও পড়াশোনার কথা বলেন তিনি। কিন্তু তাতে দমেননি  মোদী। এরপর আলমোড়ার মঠে যোগাযোগ করেন তিনি। মোদী ভেবেছিলেন, ওই মঠ অন্য কোনও সংস্থা দ্বারা পরিচালিত, তাই সেখানে স্থান হতে পারে তাঁর। তিনি জানতেন না, সেটাও বেলুড় মঠের শাখা। তাই হাজার চেষ্টা করেও আলমোড়াতেও সন্ন্য়াসী হওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয় প্রধানমন্ত্রীর। 

শোনা যায়, এই ঘটনার পরই জীবনের  মোক্ষলাভের উদ্দেশ্য়ে হিমালয়ে চলে যান তিনি। দু বছর হিমালয়ে কাটানোর  পর গুজরাত ফেরেন মোদী। সেখানে রাজকোটে রামকৃষ্ণ মিশনের তদানীন্তন মহারাজ আত্মস্থানন্দের সংস্পর্শে আসেন প্রধানমন্ত্রী। অতীতে বহুবার আত্মস্থানন্দজি  মহারাজের নাম শোনা গেছে নরেন্দ্র মোদীর  মুখে। বার বার তাঁকে নিজের গুরু বলে স্বীকার করেছেন মোদী। নমো ঘনিষ্ঠদের মতে, এই গুরুর কথাতেই সন্ন্য়াসী হওয়ার পথ থেকে দেশ গড়ার পথ ধরেন প্রধানমন্ত্রী। আজ সেই সেই কারণে ১২০ কোটি ভারতবাসীর দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন নিজের কাঁধে।      

রবিবার বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে বেলুড় মঠের সভামঞ্চে যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ধর্মীয় মঞ্চ থেকেই সিএএ প্রসঙ্গে বলা শুরু করেন। যা নিয়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় বলেছেন, নিজেকে লজ্জিত মনে হচ্ছে। আমার মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছে। মঠকে রাজনৈতিকে আখড়া হিসেবে ব্যবহার করেছে প্রধানমন্ত্রী। আমি এই কথা পরবর্তীকালেও তুলব। বেলুড় মঠের সভামঞ্চ ব্যবহার করে তিনি রাজনীতির করেছে এটা অত্যন্ততই লজ্জার বিষয়।

একই কথা শোনা গিয়েছে সিপিএম-এর পলিটব্য়ুরো সদস্য মহম্মদ সেলিমের গলায়। তিনি  বলেন, উনি সরকারি কাজে এসেছেন। ওনার বেলুড় মঠকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত হয়নি। যদিও এ বিষয়ে বেলুড় মঠ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ মহারাজ বলেন , 'আমাদের এই ব্যাপারে  কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। কারণ আমরা সংসারে এসেছি টু রেসপন্স টু ইটারনাল কল। আর এসব কথাবার্তা হচ্ছে রেসপন্ড টু এপিমিরাল কল। জাগতিক ব্যাপারে আমরা রেসপন্ড করি না। আমরা এ কারণেই ঘর দোর ছেড়ে এসেছি। আমরা বিশ্বাস করি, ঈশ্বর লাভই মানব জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য।'

PREV
click me!

Recommended Stories

Mamata Banerjee: গণনা কেন্দ্রে কী কী করতে হবে? TMC এজেন্টদের রণকৌশল বলে দিলেন মমতা-অভিষেক
Subrata Gupta's assurance: 'ভোট লুঠের কোনও সম্ভাবনা নেই', গণনা নিয়ে এবার বড় আশ্বাস সুব্রত গুপ্তর