
Hair Loss Care: একসময় ছিল, যখন বয়স ৬০ পেরোলে তারপরেই টাক পড়ত। কিন্তু সেই সময় আর নেই। রোগেরও যেমন এখন নির্দিষ্ট কোনও বয়স নেই, তেমনই টাক পড়ারও নির্দিষ্ট বয়স নেই। ২২ বছর বয়সেও টাক পড়ে যাচ্ছে। 'জেন জেড' (Gen Z) এই সমস্যায় পড়েছে। বিশ্বজুড়ে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। দ্রুত চুল পড়ে যাচ্ছে, মাথা ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে এবং টাক পড়ে যাচ্ছে। যাঁরা চুল পড়ে যাওয়ার চিকিৎসা করাতে যাচ্ছেন, তাঁদের বড় অংশই 'জেন জেড'। বিশেষ করে যাঁরা সদ্য কলেজ থেকে বেরিয়েছেন, তাঁদের অনেকেরই চুল পড়ার সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এমনকী, ১৮-১৯ বছর বয়সি ছেলে-মেয়েদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ফলে অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছেন।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের (Dermatologist) মতে, শুধু চুলের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যাওয়া বা চুলের গোড়া আলগা হয়ে যাওয়াই অল্পবয়সে টাক পড়ে যাওয়ার একমাত্র কারণ নয়। আধুনিক জীবনযাত্রার ফলে যে মানসিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তার ফলেও চুল পড়ে যাচ্ছে। মানসিক অস্থিরতাও চুলের স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অতীতের সব প্রজন্মের তুলনায় 'জেন জেড'-এর ছেলে-মেয়েদেরই এত কম বয়সে চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। নিরন্তর পড়াশোনার চাপ, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব, ব্যক্তিগত সম্পর্ক, কেরিয়ার নিয়ে উদ্বেগের মতো কারণগুলির ফলে এই সমস্যা হচ্ছে বলে মত চিকিৎসকদের। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া বা সদ্য চাকরি পেয়েছে এমন ব্যক্তিদের মধ্যেই এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে।
অতীতের প্রজন্মের পুরুষদের মধ্যে চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা টাক পড়ে যাওয়া নিয়ে খুব বেশি উদ্বেগ দেখা যেত না। কিন্তু 'জেন জেড'-এর মধ্যে চুলের যত্ন নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তারপরেও এই প্রজন্মের মধ্যেই টাক পড়ে যাওয়াও বেশি দেখা যাচ্ছে। ফলে চুলের যত্ন ও চিকিৎসার জন্য এই প্রজন্মের খরচও বাড়ছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।