
হাতে আর মাত্র কটা দিন পুজো প্রাই এসেই গেল। প্রতি বছরই এই সময় মায়ের বাপের বাড়ি ফেরার অনন্দে মেতে ওঠে ধরিত্রী। তার জন্যই মহালয়া থেকে দশমী নানা ভাবে চলে মায়ের আরাধনা। এর পছনে আছে নানা খুটিনাটি তথ্য। সেই সব তথ্য অনেকেরই অজানা। পুজোর সব দিন গুলো নিয়ে আছে নানা অজানা তথ্য জেনেনিন কি সেইসব তথ্য।
মহালয়(১৩ সেপ্টেম্বর): মহালয়ার এই দিনটি থেকে শুরু হয় পিতৃপক্ষ। এবছর ১৩ সেপ্টেম্বর দিনটি থেকে শুরু হচ্ছে পিতৃপক্ষের যা শেষ হবে ২৮ শে সেপ্টেম্বরে। এই দিনটিতেই তর্পণের মাধ্যমে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করে তাদের উদ্দেশে তিল ও জল সহযোগে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে শুরু হয়ে যায় মায়ের আসার অপেক্ষার আনন্দ।
মহাপঞ্চমী(৩ অক্টোবর): পুজোর প্রথম দিন হল এই পঞ্চমী। এই দিনটি থেকেই শারদোৎসবের শুরু। এবছর এই দিনটি বৃহস্পতিবারে পরেছে। বাড়ির ক্ষুদে সদস্যটির নতুন জামা পরার শুরু হয় এই দিনটি থেকেই। প্যান্ডেল প্যান্ডেলে মায়ের আগমণ ঘটে এই দিনটিতেই। এখন তবে অনেক প্যান্ডেই তৃতীয়া বা তার আগেই মূর্তি বসিয়ে দেওয়া হয়।
মহাষষ্ঠী(৪ অক্টোবর): এবছর এই দিনটি পরেছে শুক্রবারে। শাস্ত্রমতে মহাষষ্ঠীর দিনটিকে উমার বাপের বাড়ি আসার দিন বলে মনে করা হয়। বছরের এই দিনটিতেই মা দূর্গার তাঁর সন্তানদের নিয়ে মর্তে আগমণ ঘটে।
মহাসপ্তমী(৫ অক্টোবর): মহাসপ্তমীর এই দিনটি এবার শনিবারে পরেছে। এই দিনটি থেকেই শুরু হয়ে যায় দেবীর আরাধনা। সক্কাল সক্কাল কলা বউ স্নান করানো থেকে শুরু করে দেবীর প্রাণ প্রতিষ্ঠা সবই হয় এই দিনটিতে। এক কথায় বলতে গেলে পুজোর শুরু এই দিনটি থেকেই।
মহাষ্টমী(৬ অক্টোবর): এই দিনটি এবার রবিবারে পরেছে। রবিবার হলেও এই দিনটিতে বেশিরভাগ বাড়িতেই নিরামিষ হয়ে থাকে। এই দিনটি পুজোর দিন গুলির মধ্যে একটি বিশেষ দিন বলে মনে করা হয়। কুমারী পুজো থেকে শুরু করে সন্ধিপুজো সবই হয়ে থাকে এই দিনটিতেই। মনে করা হয় সন্ধিপুজো মা স্বয়ং আসেন মূর্তির মধ্যে। সেই সময় মা কে সাক্ষী রেখে তাঁর সামনে আঁখ, কলা, চালকুমরো বলি হয়ে থাকে।
মহানবমী(৭ অক্টোবর): দূর্গা পুজোর শেষ এই দিনটি এবছর পরেছে সোমবারে। পুজোর শেষ দিন হিসাবে সবাই আনন্দে মেতে উঠলেও মনের কোথাও যেন একটা মনখারাপ থেকেই যায়। কারণ পরের দিনটিতেই মা কে বিদায় জানিয়ে শুরু হবে পরের বছরের অপেক্ষা। সে যাই হোক তবে এই মহানবমীর এই দিনটিতে মায়ের উদ্দেশে একটি বিশেষ আরতি হয়।
মহাদশমী(৮ অক্টোবর): এই দিনটিতে মা তাঁর বাপের বাড়ি থেকে আবার তার শ্বশুর বাড়ি কৈলাসের উদ্দেশে রওনা দেন। মা কে হাসি মুখে বিদায় জানাতে হয় সিঁদুর খেলা। মা কে বরণ ও মিষ্টি মুখ করিয়ে বিদায় সকলে। এর পরে মা কে নিয়ে যাওয়া হয় ভাসানের জন্য। ভাসান শেষ হলেই শুরু হয় কোলাকুলি, বড়দের প্রণাম করে আশির্বাদ নেওয়া আর তার পরই মিষ্টিমুখ। সেই সঙ্গে শুরু হয়ে যায় আগামী বছরের অপেক্ষার দিন গোনা।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News