Health News: ঘুমোনোর সময়ে পাশে কে থাকছেন, তার উপর নির্ভর করে বেশ কিছু হরমোনের ক্ষরণের মাত্রা। জেনে নিন কেমন প্রভাব পড়ে শরীরে? ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই কারণে ভালো ঘুম হওয়া জরুরি।
Sleep Practice: পার্টনার বা কারও সঙ্গে একই বিছানায় ঘুম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে, যা সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা, ঘুমের গুণমান এবং সামগ্রিক প্রশান্তি নির্ধারণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কাছাকাছি বা স্পর্শ করে ঘুমালে সম্পর্কের সন্তুষ্টি বাড়ে, মানসিক চাপ কমে, এবং হৃদস্পন্দন স্থিতিশীল থাকে। তবে, পার্টনারের নাক ডাকা বা নড়াচড়ার কারণে অনেকের ঘুম ভেঙে যেতে পারে, যা মেজাজ খিটখিটে করে দেয়।
বিস্তারিত আলোচনা-
মানসিক প্রশান্তি ও স্ট্রেস হ্রাস: প্রিয়জনের পাশে ঘুমালে শরীরে অক্সিটোসিন (love hormone) নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা স্ট্রেস কমায় এবং মানসিক নিরাপত্তা দেয়। এর ফলে দ্রুত ও গভীর ঘুম হতে সাহায্য করে।
সম্পর্কের গভীরতা: Medium-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী জানায়, দম্পতিরা একে অপরকে স্পর্শ করে বা কাছাকাছি (spooning বা face-to-face) ঘুমালে সম্পর্কের গভীরতা ও সন্তুষ্টি বেশি থাকে।
শারীরিক সমস্যা (নাক ডাকা বা নড়াচড়া): যদি সঙ্গী খুব বেশি নড়াচড়া করেন বা জোরে নাক ডাকেন, তবে আপনার ঘুমের চক্র বিঘ্নিত হতে পারে। একে "Sleep Divorce" বা আলাদা বিছানায় ঘুমানোর কারণ হিসেবেও ধরা হয়, যা মূলত অনিদ্রা দূর করে শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে।
শারীরিক উষ্ণতা: শীতকালে বা শীতল পরিবেশে কারও সঙ্গে ঘুম শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে এবং আরামদায়ক অনুভূতি দিতে সাহায্য করে।
ঘুমের ভঙ্গি ও স্বাস্থ্য: পাশে কে আছে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কীভাবে ঘুমোচ্ছেন। পাশ ফিরে বা উপুড় হয়ে ঘুমানোর চেয়ে চিৎ হয়ে ঘুমোনো মেরুদণ্ডের জন্য ভালো।
ঘুমের সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ-
আপনার পাশে কে ঘুমোচ্ছে তা আপনার মানসিক প্রশান্তি এবং ঘুমের গভীরতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। যদি কারও সঙ্গে ঘুমোনোর ফলে আপনার ঘুম ভালো হয়, তবে এটি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আর যদি সমস্যা হয়, তবে আলাদা বিছানা বা বালিশের ব্যবহার নিয়ে পার্টনারের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলাই শ্রেয়।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News