হাড়ের মধ্যে খনিজ পদার্থের পরিমাণকে 'বোন মিনারেল ডেনসিটি' (BMD) বলা হয়। এটি হাড়ের শক্তি আর ঘনত্ব বোঝায়। BMD কম হলে হাড় ভাঙার এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।
29
ডায়েট সরাসরি হাড়ের ঘনত্বকে প্রভাবিত করে
ডায়েট সরাসরি হাড়ের ঘনত্বকে প্রভাবিত করে। ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং প্রোটিনের মতো জরুরি পুষ্টির অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।
39
কোল্ড ড্রিঙ্কস নিয়মিত খেলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়
সোডা, বিশেষ করে কোলা, নিয়মিত খেলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায়। এতে থাকা ফসফরিক অ্যাসিড শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয়। এর বদলে জল বা হার্বাল টি পান করুন।
49
কম নুনযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন
খাবারে বেশি পরিমাণে নুন (সোডিয়াম) খেলে প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যায়। এর ফলে ধীরে ধীরে হাড়ের ঘনত্ব কমতে শুরু করে।
59
কফি, এনার্জি ড্রিঙ্ক বা চা হাড়ের ক্ষতি করতে পারে
অতিরিক্ত কফি, এনার্জি ড্রিঙ্ক বা চা পান করলে ক্যালসিয়াম শোষণ কমে যায়। শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বেরিয়ে যাওয়ার পরিমাণও বেড়ে যায়। তাই ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় নিয়ন্ত্রণ করুন।
69
অতিরিক্ত মদ্যপান অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়
অতিরিক্ত মদ্যপান করলে শরীরের ক্যালসিয়াম ভারসাম্য নষ্ট হয়। এটি নতুন হাড় তৈরিতে বাধা দেয় এবং অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে তোলে।
79
অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার হাড়ের ক্ষতি করে
অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন বাড়ায়, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। প্রক্রিয়াজাত মিষ্টির বদলে ফল খান।
89
অতিরিক্ত রেড মিট খেলে হাড়ের শক্তি কমে
রেড মিট প্রোটিন, আয়রন ও জিঙ্কের উৎস হলেও, অতিরিক্ত খেলে হাড়ের শক্তি কমে যেতে পারে। বিশেষ করে প্রক্রিয়াজাত রেড মিট হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
99
বেশি ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার হাড়ের শক্তি কমাতে পারে
দুগ্ধজাত খাবার হাড়ের জন্য উপকারী হলেও, অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে শরীরে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বাড়ে। এটি হাড়ের শক্তি কমাতে পারে।