
Coocking Tips: এয়ার ফ্রায়ার এখন প্রায় প্রতিটি মডার্ন কিচেনে। কম তেলে মুচমুচে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিকেন ফ্রাই— শুনতে হেলদি লাগলেও, ব্যবহারের ভুলেই এটি হয়ে উঠছে স্বাস্থ্যের শত্রু।
১. অ্যাক্রিলামাইড (Acrylamide) - নীরব ঘাতক: আলু, ব্রেড বা স্টার্চ জাতীয় খাবার ১২০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রায় অনেকক্ষণ ধরে এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলে তাতে অ্যাক্রিলামাইড তৈরি হয়। WHO-এর মতে, এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। আলু অতিরিক্ত লালচে বা পুড়িয়ে ফেললে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হয়।
২. নন-স্টিক কোটিং নষ্ট হওয়া: এয়ার ফ্রায়ারের ভেতরের নন-স্টিক কোটিংয়ে থাকে PTFE। ধারালো চামচ, স্টিলের উল দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করলে বা ২০০ ডিগ্রির বেশি তাপমাত্রায় খালি চালালে এই কোটিং উঠে গিয়ে খাবারে মেশে, যা লিভার ও থাইরয়েডের জন্য ক্ষতিকর।
৩. প্লাস্টিকের মতো গন্ধ? অনেক সস্তা এয়ার ফ্রায়ারে খাবার বেশি গরম হলে ভেতরের প্লাস্টিক থেকে BPA-র মতো রাসায়নিক বের হতে পারে।
১. তাপমাত্রা ১৮০ ডিগ্রির নিচে রাখুন: ২০০ ডিগ্রিতে সবকিছু রান্না করার অভ্যাস ছাড়ুন। ১৬০-১৮০ ডিগ্রি হল আদর্শ। সময় একটু বেশি লাগলেও খাবার পুড়বে না, বিষাক্তও হবে না।
২. কখনও খাবার পোড়াবেন না: সোনালী-হলুদ পর্যন্ত ঠিক আছে, কিন্তু কালো বা গাঢ় বাদামী করে ভাজবেন না। পুড়ে যাওয়া অংশ ফেলে দিন।
৩. অল্প তেল ব্যবহার করুন, কিন্তু সঠিক তেল: একদম তেল ছাড়া রান্না করলে খাবার শুকিয়ে পুড়ে যায়। অলিভ অয়েল স্প্রে বা সরিষার তেল হালকা ব্রাশ করে নিন।
৪. বাস্কেটে বেশি খাবার ঠাসবেন না: বাস্কেট ভর্তি করে খাবার দিলে ভেতরে হাওয়া চলাচল করতে পারে না, ফলে খাবার অর্ধেক সেদ্ধ, অর্ধেক পোড়া হয়। অল্প অল্প করে দু'বারে রান্না করুন।
৫. পরিষ্কারের নিয়ম: রান্নার পর ঠান্ডা হলে নরম স্পঞ্জ ও লিকুইড সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন। কখনও স্টিলের চামচ বা ধারালো কিছু দিয়ে খোঁচাবেন না। বাটার পেপার বা সিলিকন লাইনার ব্যবহার করতে পারেন, তবে হাওয়া চলাচলের ছিদ্র বন্ধ করবেন না।
এয়ার ফ্রায়ার মাঝে মাঝে ব্যবহারের জন্য ভালো, রোজকার রান্নার বিকল্প নয়। সেদ্ধ, স্টিম বা কড়াইতে কম তেলে রান্নাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News