
শীতে স্বাস্থ্যের ব্যাপারে একটু অবহেলা আপনাকে অসুস্থ করে তুলতে পারে। এই ঋতুতে নিজেকে সুস্থ এবং ফিট রাখতে, আপনার ডায়েটে খেজুর অন্তর্ভুক্ত করুন। এই শুকনো ফলটিকে শীতকালীন ফল বলা হয় কারণ এতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফসফরাসের মতো উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। এটি খেলে রক্তের মাত্রা বাড়ে এবং হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্কে শক্তি জোগায়। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক এই ঋতুতে এর কী কী স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে এবং দিনে কতটা খাওয়া উচিত?
খেজুর এই সমস্যায় উপকারী:
পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে: খেজুর খেলে দ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ এবং এতে অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে বলে পরিপাকতন্ত্র সুস্থ রাখে।
খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং কম সোডিয়াম উপাদানের কারণে এগুলি শরীরের স্নায়ুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উপকারী। খেজুর শরীরে এলডিএল কোলেস্টেরলের নিম্ন মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে, আপনার হৃদয়ের স্বাস্থ্য রক্ষা করে।
শক্তিতে ভরপুর: খেজুরের রয়েছে শরীরে শক্তি জোগানোর এক আশ্চর্য ক্ষমতা। এগুলিতে প্রচুর পরিমাণে গ্লুকোজ এবং সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা থাকে। দুধের সঙ্গে খেজুর খাওয়া আপনার জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।
গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী: খেজুর গর্ভবতী মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এগুলো রক্ত প্রবাহ কমিয়ে দেয়।
ওজন বাড়াতে সাহায্য করে: আপনি যদি ওজন বৃদ্ধির সাথে লড়াই করে থাকেন তবে খেজুর খাওয়া সাহায্য করতে পারে, কারণ এগুলিতে উপস্থিত উপাদানগুলি ওজন বাড়াতে সহায়তা করে। এগুলি অ্যালকোহল সেবনের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করতেও ব্যবহৃত হয়।
কখন এবং কিভাবে খাবেন? খেজুর সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখুন এবং সকালে খালি পেটে সেবন করুন। এগুলো খালি পেটে খেলে আপনি সারাদিন এনার্জেটিক বোধ করবেন। দিনে ৩ থেকে ৪টি খেজুর খেতে পারেন।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News