Parenting Tips: A+ পাচ্ছে, তবুও হাসছে না? সন্তানের এই ৭টি আচরণ বলছে ভেতরে ভেতরে সে ভালো নেই

Published : Jul 20, 2026, 11:21 AM IST
private school book price hike class 5 english book 1035 parents protest fee regulation ncert vs private publishers

সংক্ষিপ্ত

Relationship Tips: রেজাল্টের খাতায় ৯৫, কিন্তু ঘরে ছেলেটা চুপচাপ। ভালো নম্বর মানেই ভালো থাকা নয়। শিশু-কিশোররা কষ্টের কথা বলে না, আচরণে দেখায়। এই ৭টি লক্ষণ দেখলে আজই কথা বলুন।

Parenting Tips: "ছেলে তো ফার্স্ট হয়েছে"। "মেয়ের ৯৮ পেয়েছে"। এই লাইনগুলো শুনে আমরা নিশ্চিন্ত হয়ে যাই। ভাবি সব ঠিক আছে। কিন্তু চাইল্ড সাইকোলজিস্টরা বলছেন, আজকের দিনে সবচেয়ে বেশি চাপে থাকা মানুষগুলোই ক্লাসের ফার্স্ট বয়-ফার্স্ট গার্ল। নম্বর ভালো হলেই যে বাচ্চা ভালো আছে, এমনটা নাও হতে পারে। অনেক সময় সন্তান "আমি ভালো নেই" বলতে পারে না। সে বুঝিয়ে দেয় তার ব্যবহার দিয়ে।

নম্বরের আড়ালে প্রথম যে লাল সংকেতটা ধরা পড়ে তা হল হঠাৎ করে সবকিছু থেকে গুটিয়ে যাওয়া। আগে যে সারাদিন বকবক করত, এখন ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে দেয়। খাবার টেবিলে চুপ করে বসে থাকে। বন্ধুদের সাথে আড্ডা নেই। এটা একা থাকতে চাওয়া নয়, এটা পালানোর চেষ্টা।

দ্বিতীয় লক্ষণ হল ঘুম আর খাওয়ার রুটিন পুরো উল্টে যাওয়া। রাত ২টা পর্যন্ত জেগে ফোন ঘাঁটা, সকালে উঠতে না পারা। অথবা একদম খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া কিংবা অতিরিক্ত খাওয়া। ঘুম-খাওয়া বিগড়ে গেলে বুঝবেন ভেতরে অ্যাংজাইটি কাজ করছে।

তৃতীয়ত, ছোট বিষয়ে অতিরিক্ত রেগে যাওয়া বা কান্না। পেন্সিল হারিয়ে গেছে, তাতেই ঘণ্টাখানেক কান্না। একটু বকা দিলেই "আমার কেউ দাম দেয় না" বলে চিৎকার। ইমোশন আর কন্ট্রোল করতে পারছে না।

চতুর্থ লক্ষণ হল "আমি পারব না", "আমার দ্বারা হবে না" বলা। যে ছেলে অঙ্কে ১০০ পেত, সে-ই এখন খাতা দেখে বলে "এটা খুব কঠিন"। ব্যর্থতার ভয় এত বেড়ে গেছে যে চেষ্টা করাই ছেড়ে দিচ্ছে। একে বলে পারফরম্যান্স অ্যাংজাইটি।

পঞ্চমত, শরীরে কারণ ছাড়া ব্যথা। পরীক্ষার আগের দিনই পেট ব্যথা, মাথা ব্যথা, জ্বর। ডাক্তার দেখিয়ে কিছু পাওয়া যাচ্ছে না। এটা শরীর দিয়ে মন তার স্ট্রেস জানান দিচ্ছে।

ষষ্ঠ লক্ষণ হল নিজেকে অন্য সবার সাথে তুলনা আর হীনমন্যতা। "ও ৯৯ পেয়েছে, আমি ৯৫। আমি খারাপ"। সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের ছবি দেখে "আমার লাইফটা বাজে" বলা। সেলফ-ওয়ার্থ শুধু নম্বরে আটকে গেছে।

আর সবচেয়ে বড় সিগন্যাল হল আনন্দের জিনিসেও আর আনন্দ না পাওয়া। যে ক্রিকেট, আঁকা, গান পাগল ছিল, এখন সেসবে "ভালো লাগে না"। উৎসব, জন্মদিন, ঘুরতে যাওয়া — কিছুতেই এক্সাইটমেন্ট নেই। এটা ডিপ্রেশনের সবচেয়ে বড় লক্ষণ।

তাহলে বাবা-মা হিসেবে কী করবেন? নম্বরের বদলে চেষ্টার প্রশংসা করুন। "১০ পাসনি তো কী, তুই খুব পরিশ্রম করেছিস"। রোজ ১৫ মিনিট ফোন ছাড়া গল্প করুন। "আজ স্কুলে সবচেয়ে মজার কী হল?" জিজ্ঞেস করুন। আর ভুল করলে বকা নয়, পাশে থাকুন। "ঠিক আছে, পরের বার হবে" বলুন। মনে রাখবেন, আপনার সন্তান রিপোর্ট কার্ড নয়। সে একজন মানুষ।

ভালো রেজাল্ট জীবনের জন্য দরকার। কিন্তু ভালো থাকাটা তার চেয়েও বেশি দরকার। A+ এর আগে সন্তানের "A" অর্থাৎ Attitude, Affection, Assurance চেক করুন।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Kiwi Benefits: রোজ কিউই খেলে কী কী উপকার পাবেন? জানুন ৭টি কারণ
Cardamom Benefits: রোজ এলাচ খেলে শরীরে কী কী ম্যাজিক হয়?