পুজোর সকালে পিরিয়ড? ব্যথা-ক্লান্তি কাটিয়ে ঠাকুর দেখার ৫টি সহজ টোটকা

Published : Oct 19, 2026, 07:12 AM IST
durga puja morning period pain fatigue remedy tips for pandal hopping

সংক্ষিপ্ত

পুজোর সকালে অঞ্জলি, নতুন জামা, ঠাকুর দেখার প্ল্যান, আর ঠিক তখনই পিরিয়ড। তলপেটে ব্যথা, কোমরে যন্ত্রণা, ক্লান্তিতে সব প্ল্যান ভেস্তে যাওয়ার জোগাড়। কিন্তু সামান্য কিছু ঘরোয়া টোটকা মেনে চললেই ব্যথা সামলে পুজোর আনন্দ নিতে পারবেন।

Head:

URL:

Keywords: পুজোয় পিরিয়ড, পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়, ঋতুস্রাবের সময় দুর্গাপুজো,পিরিয়ড ক্র্যাম্প টোটকা,পুজোয় এনার্জি ধরে রাখার উপায়,Period During Durga Puja, Period Pain Relief Tips, Menstrual Cramps Remedy, Festival Period Care, Period Fatigue Remedy

Sarangsho: পুজোর সকালে অঞ্জলি, নতুন জামা, ঠাকুর দেখার প্ল্যান, আর ঠিক তখনই পিরিয়ড। তলপেটে ব্যথা, কোমরে যন্ত্রণা, ক্লান্তিতে সব প্ল্যান ভেস্তে যাওয়ার জোগাড়। কিন্তু সামান্য কিছু ঘরোয়া টোটকা মেনে চললেই ব্যথা সামলে পুজোর আনন্দ নিতে পারবেন।

পুজোর চারটে দিনের জন্য আমরা সারা বছর অপেক্ষা করি। কিন্তু সেই সময়েই যদি পিরিয়ড শুরু হয়, তাহলে শারীরিক অস্বস্তি, ব্যথা, মুড সুইংয়ে সব আনন্দ মাটি হয়ে যায় বলে মনে হয়। বিশেষ করে পুজোর সকালে যদি ক্র্যাম্প শুরু হয়, তাহলে অঞ্জলি দিতে যাওয়া বা সারাদিন প্যান্ডেল হপিং করাটা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে একটু পরিকল্পনা করে চললে পিরিয়ড নিয়েও পুজোটা সুন্দরভাবে কাটানো সম্ভব।

পুজোর সকালে ব্যথা-ক্লান্তি কাটাবেন কীভাবে?

১. গরম সেঁকই আসল বন্ধু: সকালে উঠে তলপেটে ১৫-২০ মিনিট হট ওয়াটার ব্যাগ দিয়ে সেঁক দিন। এটি জরায়ুর পেশীর সংকোচন কমিয়ে ক্র্যাম্প থেকে দ্রুত আরাম দেয়। চাইলে স্নানের সময় হালকা গরম জলে স্নান করুন, শরীর অনেক হালকা লাগবে।

২. কী খাবেন, কী খাবেন না: পুজোর সময় ভাজাভুজি, অতিরিক্ত মিষ্টি, কোল্ড ড্রিঙ্কস এড়িয়ে চলুন, এগুলো ফোলাভাব ও ব্যথা বাড়ায়। বরং সকালে আদা-তুলসি দেওয়া হালকা গরম চা, ডাবের জল, ফল খান। আদা ও দারুচিনি প্রাকৃতিকভাবে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। প্রচুর জল খান, ডিহাইড্রেশনে ক্লান্তি বাড়ে।

৩. আরামদায়ক পোশাক ও প্রস্তুতি: এই ক'দিন টাইট জিন্স বা শাড়ির বদলে আরামদায়ক, সুতির, ঢিলেঢালা পোশাক বেছে নিন। সঙ্গে সবসময় এক্সট্রা প্যাড, টিস্যু, ব্যথার বাম ও একটি ছোট হট প্যাচ রাখুন। এখন বাজারে পিরিয়ড ক্র্যাম্প রিলিফ প্যাচ পাওয়া যায়, যেটা জামার ভিতরে লাগিয়ে বাইরে বেরোনো যায়।

৪. হালকা নড়াচড়া করুন: ব্যথা বলে সারাদিন শুয়ে থাকলে ব্যথা আরও বাড়ে। সকালে ১০ মিনিট হালকা স্ট্রেচিং, হাঁটাহাঁটি বা যোগা করুন। বিশেষ করে চাইল্ড পোজ বা হাঁটু বুকে জড়িয়ে শোয়া ক্র্যাম্প কমাতে খুব কার্যকর। রোদে একটু হাঁটলেও মুড ভালো থাকে।

৫. বিশ্রামকে গুরুত্ব দিন: সব ঠাকুর একদিনে দেখতেই হবে, এমন নয়। প্ল্যান ভাগ করে নিন। সকালে অঞ্জলি দিয়ে এসে দুপুরে একটু বিশ্রাম নিন, তারপর বিকেলে বেরোন। নিজের শরীরের কথা শুনুন। ক্লান্ত লাগলে একটু বসে নিন।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

যদি প্রতি মাসে অসহ্য ব্যথা হয়, অতিরিক্ত ব্লিডিং হয়, বমি বা জ্বর আসে, তাহলে অবহেলা করবেন না। সাধারণ ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার আগে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে নেওয়া ভালো। পুজোর আনন্দের জন্য নিজের শরীরকে কষ্ট দেবেন না।

পিরিয়ড কোনও বাধা নয়, এটি শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একটু যত্ন আর স্মার্ট প্ল্যানিংয়েই নতুন জামা পরে, সেজেগুজে পুজোর প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে পারবেন।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

উৎসবের মাঝে আচমকা বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট! হার্ট অ্যাটাক হলে কী করবেন, কী করবেন না?
Black Grapes Benefits: কালো আঙুরের ৮টি দারুণ স্বাস্থ্যগুণ