
Food Tips: বাঙালির হেঁশেলে লইট্টা মাছ একটু অবহেলিতই। অনেকে তো এর গন্ধের জন্য খেতেই চান না। কিন্তু যারা একবার এই মাছের স্বাদ বুঝেছেন, তারা জানেন লইট্টা ফ্রাইয়ের কোনও তুলনা হয় না। আর যদি সেই লইট্টা ফ্রাই হয় কুড়কুড়ে দিয়ে মোড়া, তাহলে তো কথাই নেই। বাইরে কুড়মুড়ে মুচমুচে আর ভিতরে নরম জুসি - বিকেলের চায়ের সঙ্গে বা গরম ভাত-ডালের সঙ্গে জমে যাবে একেবারে। আর বানানোও খুব সহজ, কোনও ঝামেলাই নেই।
লইট্টা মাছ - ৫০০ গ্রাম, মাঝখান থেকে কেটে পরিষ্কার করা। যে কোনও ফ্লেভারের কুড়কুড়ে - ২ প্যাকেট। আদা-রসুন বাটা - ১ চামচ। পাতিলেবুর রস - ১ চামচ। লঙ্কা গুঁড়ো - ১ চামচ। হলুদ গুঁড়ো - আধ চামচ। গোলমরিচ গুঁড়ো - আধ চামচ। কর্নফ্লাওয়ার - ২ চামচ। ডিম - ১টা। নুন স্বাদমতো। ভাজার জন্য সাদা তেল।
প্রথমে লইট্টা মাছগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। মাছে যেন একটুও জল না থাকে, টিস্যু দিয়ে মুছে নিলে আরও ভালো। এবার একটি পাত্রে মাছগুলো নিয়ে তার মধ্যে আদা-রসুন বাটা, লেবুর রস, লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ, গোলমরিচ এবং নুন দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি আধ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন, তাহলে মশলা মাছের ভিতরে ভালোভাবে ঢুকবে এবং গন্ধটাও চলে যাবে।
অন্য একটি পাত্রে কুড়কুড়ে গুলো হাত দিয়ে ভালো করে গুঁড়ো করে নিন, একদম মিহি গুঁড়ো করবেন না, একটু দানা দানা থাকবে। এবার একটি বাটিতে ডিমটা ফেটিয়ে তার মধ্যে কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে একটা ব্যাটার তৈরি করুন।
এবার ম্যারিনেট করা মাছগুলো এক এক করে প্রথমে ডিমের ব্যাটারে ডুবিয়ে তারপর কুড়কুড়ের গুঁড়োর মধ্যে ভালো করে কোট করে নিন। যাতে চারপাশ ভালোভাবে কভার হয়।
কড়াইতে তেল গরম করুন। তেল ভালোভাবে গরম হলে আঁচ মাঝারি করে দিন। এবার এক এক করে মাছগুলো ছেড়ে দিন। বেশি নাড়াচাড়া করবেন না, একপিঠ সোনালি হয়ে গেলে অন্য পিঠ উল্টে দিন। দু পিঠ মুচমুচে সোনালি হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে টিস্যু পেপারের উপর রাখুন, যাতে অতিরিক্ত তেল শুষে নেয়।
ব্যস, তৈরি আপনার মুচমুচে কুড়কুড়ে লইট্টা ফ্রাই। গরম গরম পরিবেশন করুন কাসুন্দি বা টমেটো সসের সঙ্গে। একবার খেলে দেখবেন, যারা লইট্টা মাছ খেতে চাইত না, তারাও চেয়ে চেয়ে খাবে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News