শরীরের কোষ আর কিছু খাবারে থাকা 'পিউরিন' ভেঙে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। সাধারণত এই অ্যাসিড রক্তে মিশে যায় এবং পরে কিডনি ছাঁকনির কাজ করে প্রস্রাবের মাধ্যমে তা শরীর থেকে বের করে দেয়।
29
শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেশি তৈরি হলে বা ঠিকমতো বের হতে না পারলে, তা গাঁটে গাঁটে জমতে শুরু করে। এর ফলে জয়েন্টে প্রচণ্ড ব্যথা আর ফোলাভাব দেখা দেয়। তাই ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে ডায়েট আর লাইফস্টাইলে কড়া নজর দেওয়া উচিত। চলুন দেখে নিই কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন।
39
ইউরিক অ্যাসিডের রোগীদের রেড মিট বা লাল মাংস একদম খাওয়া চলবে না। রেড মিটে প্রচুর পরিমাণে 'পিউরিন' থাকে। এই পিউরিন ভেঙে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা একধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দেয়।
49
সামুদ্রিক খাবারেও বিপদ লুকিয়ে আছে। সার্ডিন, ম্যাকরেল, টুনা বা ঝিনুকের মতো সি-ফুড ডায়েট থেকে বাদ দিন। এগুলোতে থাকা অতিরিক্ত পিউরিন রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বাড়িয়ে দেয়, যা থেকে গাঁটে মারাত্মক ব্যথা শুরু হতে পারে।
59
মিষ্টি পানীয় খেলে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা হু হু করে বাড়ে। বিশেষ করে হাই ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ দেওয়া পানীয় গাউটের ব্যথা বাড়িয়ে দেয়। তাই চিনি দেওয়া কোল্ড ড্রিঙ্কস, সোডা, এনার্জি ড্রিঙ্ক বা প্যাকেটজাত ফলের রস খাওয়া আজই বন্ধ করুন।
69
অ্যালকোহল বা মদ রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে গাউটের ঝুঁকি বাড়ে এবং জয়েন্টের ব্যথা হঠাৎ করে মারাত্মক আকার নিতে পারে। বিশেষ করে বিয়ারে প্রচুর পিউরিন থাকে, যা শরীরে গিয়ে ইউরিক অ্যাসিডে পরিণত হয়।
79
ফাস্ট ফুডে প্রচুর পরিমাণে খারাপ ফ্যাট, প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট, সোডিয়াম আর লুকোনো চিনি থাকে। তাই ইউরিক অ্যাসিড থাকলে বার্গার, পিৎজা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রায়েড চিকেন বা ইনস্ট্যান্ট নুডলস খাওয়া একেবারেই উচিত নয়।
89
মিষ্টি জাতীয় খাবার পরোক্ষভাবে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেক, কুকিজ, পেস্ট্রি, ক্যান্ডি, আইসক্রিম বা ডোনাটের মতো খাবারগুলো এড়িয়ে চলাই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
99
প্রসেসড মিট বা প্রক্রিয়াজাত মাংস ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা মারাত্মকভাবে বাড়িয়ে দেয়। এই ধরনের মাংস শরীরে ভেঙে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে, যার ফলে হাইপারইউরিসেমিয়া বা রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।