রক্তে ফ্যাটের মতো পদার্থের পরিমাণ বেড়ে গেলে তাকে হাই কোলেস্টেরল বলে। এর ফলে রক্তনালী সরু হয়ে যায় এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়।
রক্তে ফ্যাটের মতো পদার্থের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তাকে হাই কোলেস্টেরল বলে। এর ফলে রক্তনালী সরু হয়ে যায় এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। রক্ত চলাচলের সময় কোলেস্টেরল 'লিপোপ্রোটিন'-এর মাধ্যমে যাতায়াত করে। একে মূলত এলডিএল (LDL) এবং এইচডিএল (HDL) কোলেস্টেরল— এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
27
এলডিএল (LDL) মানে 'লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন' আর এইচডিএল (HDL) হলো 'হাই-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন'। এলডিএল ধমনীতে জমে 'প্লাক' তৈরি করে এবং হার্টের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়, তাই একে 'খারাপ' কোলেস্টেরল বলা হয়। অন্যদিকে, এইচডিএল রক্তনালী থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সংগ্রহ করে লিভারের মাধ্যমে বের করে দেয়, তাই এটি 'ভালো' কোলেস্টেরল।
37
রক্তে এলডিএল (LDL) কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং হার্টের অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোনো লক্ষণ ছাড়াই এই সমস্যা শরীরে বাসা বাঁধে। সরাসরি কোনো উপসর্গ না থাকলেও কিছু সতর্কবার্তা দেখে এটি বোঝা যায়। হাই কোলেস্টেরল থাকলে ডায়েটের দিকে কড়া নজর দেওয়া জরুরি। চলুন জেনে নিই কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন।
47
রেড মিট স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো নয়। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে, যা খেলে দ্রুত ওজন বাড়ে এবং লাইফস্টাইল সংক্রান্ত নানা রোগ ডেকে আনে। এমনকি স্ট্রোকের ঝুঁকিও থাকে। বেকন, সসেজ, হট ডগের মতো প্রসেসড রেড মিট এড়িয়ে চলাই ভালো। হ্যামবার্গার, রিবস, পর্ক চপস এবং রোস্টে সবচেয়ে বেশি ফ্যাট থাকে। মাংস পুরোপুরি ছাড়ার দরকার নেই, তবে খুব কম খাওয়া উচিত।
57
তেলে ভাজা খাবার ডায়েট থেকে বাদ দিন। চিকেন উইংস বা অনিয়ন রিংয়ের মতো ডুবো তেলে ভাজা খাবার কোলেস্টেরল হু হু করে বাড়ায়। ভাজাভুজি খেলে খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে যায়। এর বদলে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন এবং তাতে সামান্য অলিভ অয়েল ব্রাশ করে নিতে পারেন।
67
প্রসেসড মিট শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। হট ডগ, সসেজ এবং বেকন তৈরিতে রেড মিটের সবচেয়ে বেশি চর্বিযুক্ত অংশ ব্যবহার করা হয়। তাই এই ধরনের খাবারে কোলেস্টেরল এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।
77
কুকিজ, কেক এবং পেস্ট্রিতে প্রচুর পরিমাণে ঘি ও মাখন ব্যবহার করা হয়। তাই এগুলোতে কোলেস্টেরল বেশি থাকে। মিষ্টি জাতীয় খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার দরকার নেই, তবে খাওয়ার অভ্যাসে ছোটখাটো বদল আনা জরুরি। স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ট্রান্স ফ্যাট শরীরে লো-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন (LDL) বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।