
জিভে জল আনা মুচমুচে ফ্রেঞ্চফ্রাই সাধারণত স্বাস্থ্যকর নয়, কারণ এতে প্রচুর ক্যালোরি, ফ্যাট, লবণ এবং অ্যাক্রাইলামাইড থাকে, যা স্থূলতা ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে কম তেলে বা এয়ার ফ্রাইয়ারে তৈরি করলে এবং পরিমিত খেলে এটি স্বাস্থ্যকর হতে পারে। সপ্তাহে ৩ বারের বেশি খেলে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ২০% পর্যন্ত বাড়তে পারে।
ফ্রেঞ্চফ্রাই ক্ষতিকর হওয়ার কারণসমূহ:
* উচ্চ ক্যালোরি ও ফ্যাট: ডিপ ফ্রাই করার ফলে এটি উচ্চ ক্যালোরি ও অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট বা ট্রান্স ফ্যাট-এর উৎস হয়ে ওঠে, যা কোলেস্টেরল বাড়ায়।
* অ্যাক্রাইলামাইড: উচ্চ তাপমাত্রায় ভাজার সময় এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক 'অ্যাক্রাইলামাইড' তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে ।
* উচ্চ লবণ: ফ্রেঞ্চফ্রাইতে থাকা অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়।
* ডায়াবেটিসের ঝুঁকি: নিয়মিত সেবনে রক্তে শর্করা অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
ফ্রেঞ্চফ্রাই কখন কিছুটা স্বাস্থ্যকর?
* এয়ার ফ্রাইয়ার ব্যবহার: তেলে না ভেজে এয়ার ফ্রাইয়ার বা বেক (bake) করলে ফ্যাট ও ক্যালোরির মাত্রা অনেক কমে যায়।
* বাড়িতে তৈরি: বাড়িতে ভালো মানের অলিভ অয়েল বা রাইস ব্রান অয়েল ব্যবহার করে এবং লবণ কম দিয়ে তৈরি করলে কিছুটা স্বাস্থ্যকর হয়।
* পরিমিত খাওয়া: হার্ভার্ডের অধ্যাপক টিএইচ চ্যানের পরামর্শ অনুযায়ী, সুস্থ থাকতে একবারে ৬টি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের বেশি না খাওয়াই ভালো।
উপসংহার:ফ্রেঞ্চফ্রাই সব সময় বিষের মতো নয়, তবে নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। খুব ইচ্ছে হলে মাঝে মাঝে বাড়িতে তৈরি কম তেল-লবণের ফ্রাই খেতে পারেন, তবে তা যেন দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত না হয়।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News