কোষ্ঠকাঠিন্য কোনও রোগ নয়, বরং অনেক রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
কোষ্ঠকাঠিন্য নিজে রোগ না হলেও, অনেক রোগের লক্ষণ হতে পারে। জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসের বদলই এর মূল কারণ। খাবারে ফল, সবজি ও ফাইবারযুক্ত শস্যের অভাব এবং শরীরে জলের পরিমাণ কমে গেলে মল শক্ত হয়ে যায়।
27
যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের জীবনযাত্রায় কিছু বিষয়ে নজর দিতে হবে।
শারীরিক পরিশ্রমের অভাব অন্ত্রের চলাচল ধীর করে দেয়। আবার, মলত্যাগের বেগ এলেও তা চেপে রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ে। তাই জীবনযাত্রায় কিছু বদল আনা জরুরি।
37
অতিরিক্ত চাপ দিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।
মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ দিলে অর্শ বা হেমোরয়েডসের ঝুঁকি বাড়ে। শক্ত মলের কারণে মলদ্বারে ছোট ছোট ক্ষতও হতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরে এমন চললে মলদ্বার বাইরে বেরিয়ে আসার মতো গুরুতর সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
47
ফাইবারযুক্ত খাবার খান এবং প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।
পর্যাপ্ত ফাইবার ও জল না খাওয়াই কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম প্রধান কারণ। ফাইবার মল নরম করে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করে। তাই রোজকার খাবারে দানাশস্য, ফল, সবজির মতো ফাইবারযুক্ত খাবার অবশ্যই রাখুন।
57
যারা দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকেন, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি বেশি।
যারা দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে কাজ করেন, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি বেশি। কারণ, এতে অন্ত্রের পেশি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। হাঁটা, দৌড়ানো বা সাঁতারের মতো শরীরচর্চা করলে অন্ত্রে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ও পেশি সচল থাকে।
67
মানসিক চাপ সামলান এবং পর্যাপ্ত ঘুমান।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে। আবার, ঘুমের অভাবে কর্টিসোল হরমোন বাড়ে, যা মানসিক চাপ বাড়িয়ে হজমের সমস্যা তৈরি করে।
77
শরীর যে সঙ্কেত দেয়, তা উপেক্ষা করবেন না।
মলত্যাগের বেগ এলে শৌচাগারে না গেলে, অন্ত্র মল থেকে জল শোষণ করে নেয়। ফলে মল আরও শক্ত ও শুকনো হয়ে যায়। এর থেকে পেট ফোলা বা মলদ্বার সংক্রান্ত গুরুতর সমস্যা হতে পারে।