আমাদের শরীরের সব কাজই নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। তাই ব্রেনের যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। কিন্তু আমাদের রোজকার কিছু অভ্যাস অজান্তেই মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। জেনে নিন সেই ৭টি অভ্যাস।
শরীরের সব কাজই নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। তাই এর যত্ন নেওয়া খুব জরুরি। কিন্তু আমাদের রোজকার কিছু অভ্যাস অজান্তেই মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।
28
ঘুমের অভাব মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে
ঘুমের সময়েই মস্তিষ্ক নিজেকে মেরামত করে এবং স্মৃতি গুছিয়ে রাখে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ে। CDC-র রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন প্রাপ্তবয়স্ক দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান না।
38
একটানা বেশিক্ষণ বসে থাকা মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর
অনেকক্ষণ ধরে বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। এর ফলে ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়ে, যা মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। এটি ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশের কারণও হতে পারে। রোজ অন্তত ১৫-৩০ মিনিট ব্যায়াম করা জরুরি।
48
অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে
কম্পিউটার বা ফোনের স্ক্রিনের দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকলে মানসিক ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব এবং ঘুমের সমস্যা হতে পারে। এটি চোখ ও শরীরের জন্যও ক্ষতিকর।
58
জাঙ্ক ফুড মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয়, প্রসেসড খাবার এবং তেলে ভাজা জিনিস মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
68
ধূমপান মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে
ধূমপান রক্তনালীর ক্ষতি করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত ধূমপান স্মৃতিশক্তি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং ঘুমের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে।
78
ক্রমাগত মানসিক চাপ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে
ক্রমাগত মানসিক চাপ ঘুম, মনোযোগ এবং মেজাজের ওপর প্রভাব ফেলে। এর থেকে উদ্বেগ, ক্লান্তি এবং মানসিক কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। মেডিটেশন, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ও যোগার মাধ্যমে চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।
88
স্নায়বিক লক্ষণগুলি কখনই উপেক্ষা করা উচিত নয়
হঠাৎ দুর্বলতা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, মুখ একদিকে বেঁকে যাওয়া, খিঁচুনি, তীব্র মাথাব্যথা বা অসাড়তার মতো স্নায়বিক লক্ষণগুলো কখনওই হালকাভাবে নেবেন না। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।