শরীরের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর হল LDL বা খারাপ কোলেস্টেরল। এটি রক্তনালীতে জমে রক্তপ্রবাহে বাধা দেয়, যার ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কোলেস্টেরলের মাত্রা জানা যায়। ডায়েটে কিছু বদল আনলেই এই খারাপ কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব।
27
ওটস ও বার্লিতে প্রচুর পরিমাণে সলিউবল ফাইবার থাকে
ডায়েটে গোটা শস্য বা হোল গ্রেইনস রাখলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। ওটস ও বার্লিতে 'বিটা-গ্লুকান' (beta-glucan) নামের এক ধরনের সলিউবল ফাইবার প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই বিটা-গ্লুকান রক্ত থেকে 'খারাপ' কোলেস্টেরল অর্থাৎ LDL কমাতে সাহায্য করে।
37
ফল ও সবজি খেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে
রোজ বিভিন্ন রঙের তাজা সবজি ও ফল খেলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। অনেক সবজি ও ফলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে সলিউবল ফাইবার (soluble fibre) থাকে। এই ফাইবার শরীর থেকে কোলেস্টেরল শোষণ কমায় এবং রক্তে 'খারাপ' কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
47
ডাল ও বিনস খেলে শরীরের 'খারাপ' কোলেস্টেরল কমে।
ছোলা, ডাল এবং অন্যান্য বিনস জাতীয় শস্যে প্রচুর পরিমাণে সলিউবল ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। মাংসের বদলে ডায়েটে এই ধরনের ডাল বা বিনস রাখলে শরীরের 'খারাপ' কোলেস্টেরল কমাতে দারুণ সাহায্য করে।
57
বাদাম ও বীজে হার্টের জন্য উপকারী ফ্যাট ও ফাইবার থাকে
বিভিন্ন ধরনের বাদাম ও বীজে হার্টের জন্য উপকারী ফ্যাট ও ফাইবার থাকে। এগুলি কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত বাদাম খেলে 'খারাপ' কোলেস্টেরল (LDL) এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমে।
67
সোয়া প্রোডাক্টসের মধ্যে রয়েছে টোফু, সোয়া মিল্ক, সোয়াবিন এবং এডামামে বিনস।
সোয়া প্রোডাক্টসের মধ্যে রয়েছে টোফু, সোয়া মিল্ক, সোয়াবিন এবং এডামামে বিনস। কিছু গবেষণা বলছে, নিয়মিত সোয়া প্রোডাক্টস খেলে 'খারাপ' LDL কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড সামান্য পরিমাণে কমতে পারে।
77
কোলেস্টেরল কমাতে ঢ্যাঁড়শ সাহায্য করে।
ঢ্যাঁড়শ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। কারণ এতে মিউসিলেজ (mucilage) নামে এক ধরনের ঘন, জেলের মতো সলিউবল ফাইবার থাকে। হজমের সময় এই পদার্থটি কোলেস্টেরল ও বাইল অ্যাসিডের সঙ্গে জুড়ে যায় এবং বর্জ্য হিসাবে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে লিভার রক্ত থেকে অতিরিক্ত LDL কোলেস্টেরল শুষে নেয়।