পেটের স্বাস্থ্য ভালো থাকা খুবই জরুরি। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে মন-মেজাজ ভালো রাখা, সবেতেই এর ভূমিকা আছে। আর পেটের স্বাস্থ্য শুধু কী খাচ্ছেন, তার উপর নির্ভর করে না। আপনার দৈনন্দিন অভ্যাসও কিন্তু একটা বড় ফ্যাক্টর।
27
তাড়াহুড়ো করে খাওয়া থেকে শুরু করে যখন-তখন স্ন্যাকস
তাড়াহুড়ো করে খাওয়া বা যখন-তখন স্ন্যাকস খাওয়া, এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলোও হজমের প্রক্রিয়াকে বিগড়ে দেয়। আসুন, দেখে নিই কোন কোন অভ্যাস পেটের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
37
টিভি বা ফোন দেখতে দেখতে খেলে বেশি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে।
অন্যমনস্ক হয়ে খেলে পেট ভরেছে কি না, তা বোঝা কঠিন হয়ে যায়। ফলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। টিভি বা ফোন দেখতে দেখতে খেলে প্রায়ই এমনটা হয়। ফোন দেখতে থাকলে, পেট ভরার সঙ্কেত মস্তিষ্কে দেরিতে পৌঁছায়। এর ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩০% বেশি খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
47
সকালের জলখাবার বাদ দিলে নানা শারীরিক সমস্যা হতে পারে।
অনেকেই সকালে তাড়াহুড়োয় ব্রেকফাস্ট বা জলখাবার বাদ দেন। এই অভ্যাস নানা শারীরিক সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস মানসিক চাপ বাড়ায় এবং পেটের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলে। সকালের খাবার বাদ দিলে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বেড়ে পেটের স্বাস্থ্য বিগড়ে যেতে পারে।
57
প্রতিবার খাওয়ার পর মিষ্টি খেলে অন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে।
অনেকেরই খাওয়ার পর একটু মিষ্টি না হলে চলে না। কিন্তু এই অভ্যাস পেটের জন্য ভালো নয়। ঘন ঘন চিনি খেলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে আরও বেশি মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছে বাড়ে।
67
মলত্যাগের বেগ চেপে রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।
মলত্যাগের বেগ এলে তা চেপে রাখা খুবই খারাপ অভ্যাস। নিয়মিত এমনটা করলে মলত্যাগের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনিয়মিত হয়ে পড়তে পারে। বারবার এই বেগ উপেক্ষা করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
77
অনেক রাতে খাবার খেলে হজম এবং ঘুম, দুটোতেই সমস্যা হতে পারে।
অনেক রাতে খাবার খেলে হজম এবং ঘুম, দুটোতেই সমস্যা হতে পারে। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন। পেটের স্বাস্থ্য আর ঘুম একে অপরের সঙ্গে জড়িত। ঘুম কম হলে বা ঘুমের মান খারাপ হলে অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শরীরে প্রদাহ বাড়ে।