
Health Tips For Hygiene: কথায় বলে সময় নদীর স্রোত। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে জীবনে পিছিয়ে পড়তে হয়। কথাটা কতখানি সত্যি বা মিথ্যা তা হয়ত হলফ করে বলা সম্ভব নয়। তবে সময় এবং স্বাস্থ্যের মত বড় কোনও সম্পদ পৃথিবীতে নেই। কারণ যার স্বাস্থ্য ভালো তাঁর সব ভালো। শরীর ও স্বাস্থ্য ভালো থাকলে তবেই না সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবেন।
যারফলে সময়ের মূল্য যেমন দেওয়া উচিত, তেমনই শরীর স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখাও এবং তাকে সুস্থ সবল রাখাও কিন্তু জরুরি। বিশেষ করে মহিলাদের জন্য নিয়মিত শরীর স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা আবশ্যক। কারণ, সুস্থ সুন্দর বলিষ্ঠ চেহারাই জীবনে উন্নতির চাবিকাঠি।
তবে শরীর অনেক কিছু সহ্য করতে পারে বলে অহেতুক নিজের শরীরের উপর বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দেবেন না। নিজেকে সবসময় চাপমুক্ত রাখুন। বিশেষ করে যে সমস্ত মহিলাদর বয়স ত্রিশের ঘরে পৌঁছে গিয়েছে বা তার বেশি সেই সব নারীদের উচিত ছোটোখাটো বিষয়ের মধ্যে দিয়েই শরীরের যত্ন নেওয়া। কারণ, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েদের শরীরে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে। আর এই সময় শরীরের সঠিক যত্ন না নিলে হতে পারে হিতে বিপরীত। ফলে মহিলাদের দীর্ঘস্থায়ী এবং সুস্থ সবল শরীরের মূল চাবিকাঠিই হল হল হাইজিন মেইন্টেন করা।
আর এই হাইজিন মেনে চলার জন্য নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া, পরিস্কার পরিছন্ন থাকা একান্ত জরুরি। নচেৎ অ্যালার্জি,র্যাশ, এক্সিমার বা অন্য কোনও জটিল রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। যারফলে হাইজিন মেইন্টেন করে চলতে গেলে যে কাজ গুলি করা আমাদের অত্যন্ত জরুরি তা হল...
1. পরিস্কার পরিছন্ন থাকা : হাইজিন মেইন্টেনে সব সময় হাত পা পরিস্কার রাখা জরুরি। মোবাইল, কম্পিউটার বা টিভির রিমোট টাচ করে সরাসরি খাবারে হাত দেওয়া উচিত নয়। এতে জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে খাওয়ার আগে ভালো করে সাবান জল বা স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধোয়া উচিত।
2. খালি পায়ে হাঁটাচলা করবেন না : খালি পায়ে হাঁটাচলা করা একদম ঠিক নয়। এতে বাইরের নোংরা জীবাণু ময়লা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। ফলে সবসময় জুতো পড়ে চলাফেরা করুন এবং বাইরে থেকে আসলে অবশ্যই পা ধুয়ে ঘরে ঢুকুন।
3. ২০ বছর বয়সে যে তারুণ্য থাকে আমাদের ৩০ এর পর তা অনেক কমে যায়। তাই বলে নিজেকে দুর্বল ভাববেন না কখনও। সবসময় পরিস্কার পরিছন্ন থাকতে চেষ্টা করুন। দাঁত, চোখের যত্ন নিন নখ পরিস্কার রাখুন।
4. গোপনাঙ্গের যত্ন নিন : বয়স ত্রিশ হোক বা তার কম, বেশি। যেকোনও মহিলারই উচিত নিয়মিত গোপনাঙ্গের যত্ন নেওয়া। বিশেষ করে পিরিয়ডসের দিন গুলিতে। প্রতিদিন স্নানের সময় শরীরের গোপনাঙ্গের ময়লা পরিস্কার করুন। নিয়মিত সাবান শ্যাম্পু, তেল দিয়ে স্নান করুন। মাসের বিশেষ দিনগুলিতে ঘনঘন স্যানিটারি ন্যাপকিন পাল্টাতে হয় বা পড়তে হয়। ফলে যৌনাঙ্গে র্যাশ বা অ্যালার্জি ওঠার ভয় থাকে। এই সমস্যা দূর করতে চাইলে তিন চার ঘন্টা ন্যাপকিন বদলান। যতটা সম্ভব শুকনো থাকার চেষ্টা করুন। অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল লোশন ব্যবহার করতে পারেন৷ বা এই সময় ঈষদুষ্ণ জলে স্নান করতে পারেন। শরীর যেমন ভালো থাকবে তেমনি শারীরিক কষ্ট দূর হবে।
5. যৌন মিলনের সময় হাইজিন মেইন্টেন করা জরুরি। নাহলে দুজনের মধ্যে ক্ষতিকর জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া শরীরে আদান প্রদান করতে পারে। সুরক্ষিত ভাবে যৌন মিলন করা উচিত। এছাড়াও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর দুজনেরই যৌনাঙ্গ পরিস্কার করা উচিত। এতে সুরক্ষিত থাকা যায়।
6. এছাড়াও নিয়মিত জামাকাপড় পরিস্কার, ঘরবাড়ি পরিস্কার পরিছন্ন রাখা জরুরি। এতে যেমন মন ভালো থাকে তেমনই শরীর স্বাস্থ্যও সুন্দর থাকে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News