
Travel Tips: পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুট সংলগ্ন বাঁকিপুট একটি শান্ত ও মনোরম স্বল্প পরিচিত সমুদ্র সৈকত, যা ঘন ঝাউবন এবং মোহনার অপরূপ সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। দিঘার ভিড়ভাট্টা এড়িয়ে নিরিবিলি প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর জন্য এটি উপযুক্ত। এখানে প্রধান আকর্ষণ হলো লাল কাঁকড়ার মেলা। নদী ও সমুদ্রের মিলনস্থল এবং ঐতিহাসিক কাপালকুণ্ডলা মন্দির এটি।
* প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ: বাঁকিপুট মূলত একটি আদি ও কুমারী সমুদ্র সৈকত (Virgin Beach), যেখানে অগণিত ঝাউ গাছ সৈকতকে সাজিয়ে রেখেছে। এখানকার পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত, যা শহরের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি দেয়।
* মোহনা ও কাঁকড়া: এখানে কোনো সরাসরি সমুদ্র সৈকত না থাকলেও একটি সুন্দর মোহনা (Estuary) রয়েছে। জোয়ারের সময় জল বাড়লে এই মোহনাটি দেখতে অপূর্ব লাগে। বেলাভূমিতে প্রচুর পরিমাণে লাল কাঁকড়ার খেলা দেখা যায়।
* ঐতিহাসিক কাপালকুণ্ডলা মন্দির: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের নামানুসারে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক মন্দিরটি বাঁকিপুটের খুব কাছেই অবস্থিত।
* দারিয়াপুর লাইটহাউস (Dariapur Lighthouse): বাঁকিপুট থেকে সহজেই ঘুরে আসা যায় এই লাইটহাউসটি, যেখান থেকে আশেপাশের এলাকার প্যানোরামিক দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
* পেটুয়াঘাট ফিশিং হারবার: কাছেই অবস্থিত দেশপ্রাণ ফিশিং হারবার (পেটুয়াঘাট) একটি দেখার মতো জায়গা, যেখানে রসুলপুর নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থল দেখা যায়।
* যাতায়াত ও থাকার ব্যবস্থা: কলকাতা থেকে কাঁথি (Contai) হয়ে এখানে যেতে হয়, যা কাঁথি থেকে মাত্র ১৬-১৭ কিলোমিটার দূরে। এখানে থাকার জন্য হাতেগোনা কয়েকটি স্থানীয় হোটেল বা গেস্টহাউস রয়েছে। তবে দিঘা বা মন্দারমণি থেকে অনেকেই দিনের ভ্রমণে (Day trip) এখানে আসেন।
বাঁকিপুটে থাকার জায়গা খুব সীমিত, তাই এটি মূলত নিরিবিলি প্রকৃতির মাঝে কয়েক ঘণ্টা কাটানোর বা উইকএন্ড ট্রিপের জন্য দারুণ একটি জায়গা।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News