রক্তে থাকা মোম জাতীয় পদার্থ হলো কোলেস্টেরল। সুস্থ কোষ তৈরিতে শরীর এটি কাজে লাগায়। তবে এর মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ধমনীতে 'প্লাক' হিসেবে জমে রক্ত চলাচলে বাধা দেয়।
27
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়াকে হাই কোলেস্টেরল বলে
পর্যাপ্ত ব্যায়াম না করা, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট যুক্ত খাবার বেশি খেলে কোলেস্টেরল বাড়ে। স্বাস্থ্যকর ডায়েট, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে ওষুধের মাধ্যমে আপনি এটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। নিচে এর প্রধান কয়েকটি লক্ষণ দেওয়া হলো।
37
বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভব করা এর প্রথম লক্ষণ
বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভব করা এর প্রথম লক্ষণ। শারীরিক পরিশ্রম বা মানসিক চাপের কারণে এমনটা বেশি হয়। কোলেস্টেরল সরাসরি বুকে ব্যথা তৈরি করে না। তবে ধমনীতে প্লাক জমে 'অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস' নামক বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করলে বুকে ব্যথা হয়।
47
শারীরিক পরিশ্রমের সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া আরেকটি লক্ষণ
শ্বাসকষ্ট হাই কোলেস্টেরলের আরেকটি বড় লক্ষণ। বিশেষ করে শারীরিক পরিশ্রমের সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। রক্তনালী সরু হয়ে গেলে হৃৎপিণ্ডকে রক্ত পাম্প করতে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হয়, যার ফলে এই সমস্যা দেখা দেয়।
57
পায়ে ব্যথা হওয়া কোলেস্টেরল বাড়ার আরেকটি লক্ষণ
পায়ে ব্যথা হওয়া কোলেস্টেরল বাড়ার আরেকটি লক্ষণ। রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণে হাঁটাচলা বা কাজের সময় পায়ে বা গোড়ালিতে পেশিতে টান, ব্যথা বা অস্বস্তি দেখা দেয়। এই লক্ষণগুলো একদমই অবহেলা করবেন না।
67
হাত-পায়ে অসাড়তা বা ঝিঁঝি ধরা কোলেস্টেরল বাড়ার সংকেত
রক্ত চলাচল কমে গেলে হাত, কবজি, পা বা পায়ের পাতায় অসাড়তা বা ঝিঁঝি ধরার মতো অনুভূতি হয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর এই সংকেতগুলো দেয়।
77
দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি বা দুর্বলতা হাই কোলেস্টেরলের লক্ষণ হতে পারে।
শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও পেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেনযুক্ত রক্ত না পৌঁছালে এমনটা হয়। তাই দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি বা দুর্বলতা হাই কোলেস্টেরলের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে।