Parenting Tips: খাবার টেবিলে জোর করে নয়, শিশুকে খাওয়ান কিছু কৌশলে..

Published : Jan 28, 2026, 11:44 PM IST
parenting tips

সংক্ষিপ্ত

দুই থেকে সাত বছর বয়সি শিশুদের মতামত গঠন হয়। তাই সেই সময় তাঁরা খাবারদাবার খাওয়া নিয়ে সবচেয়ে বেশি নিজের মত জাহির করে। তাই এই বয়সে সন্তানকে জোর করবেন না। খাবার নিয়েও জোরজুলুম করবেন না। পরিবর্তে তাকে বুঝিয়ে খাদ্যাভ্যাস তৈরি করুন। 

Parenting Tips: খাবার টেবিলে জোরজবরদস্তি না করে, ধৈর্য ও সৃজনশীল কৌশলে খুদেদের খাদ্যাভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। নিয়ম মেনে একই সময়ে খাবার দেওয়া, খাবারের প্লেট রঙিন করা, এবং নিজে স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে তাদের সামনে আদর্শ (Role Model) হওয়া সবচেয়ে কার্যকর । জোর করে না খাইয়ে পছন্দের খাবারকে স্বাস্থ্যকর উপায়ে পরিবেশন করুন এবং স্ক্রিন টাইম (TV/Mobile) বন্ধ রাখুন

সহজ কৌশলে খুদেদের খাদ্যাভ্যাসে বদল:

* নিয়মিত রুটিন তৈরি করুন: প্রতিদিন একই সময়ে সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার দিন। এতে খুদেরা কখন খাবে তা বুঝতে পারে এবং অকারণে অন্য খাবার খাওয়ার জেদ কমায় ।

* প্লেটকে আকর্ষণীয় করুন: খাবারে নানা রঙের সবজি ও ফল রাখুন। পুষ্টিকর খাবারগুলো এমনভাবে পরিবেশন করুন (যেমন: সবজির শেপ বদলে দেওয়া) যাতে তাদের খেতে ইচ্ছে করে ।

* নিজে আদর্শ হোন: বাবা-মা যা খাবেন, খুদেরাও তা অনুসরণ করবে। আপনি নিজে সুস্থ ও পুষ্টিকর খাবার খান এবং তাদের সামনেই টেবিলে বসুন ।

* জোরাজুরি বা যুদ্ধ নয়: খাবার না খেলে জোর করবেন না। খাওয়ার সময় কোনো খেলনা বা স্ক্রিন (মোবাইল/টিভি) সামনে রাখবেন না।

* পুষ্টিকর খাবারের প্রতি আগ্রহ: বাইরের ভাজাপোড়া কমিয়ে ঘরের তৈরি খাবার (স্যুপ, সালাদ, ফলের স্মুদি) দিন।

* খাবারে ভিন্নতা: একই খাবার প্রতিদিন না দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার তৈরি করুন ।

* পুরস্কার নয়, ভালোবাসা: খাবারকে পুরস্কার বা শাস্তির মাধ্যম করবেন না (যেমন: "সবজি খেলে চকোলেট দেব")। খাবার মানেই ভালোবাসা, ভয় নয়।

ধৈর্য ধরে, ভালোবেসে এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে বাচ্চার খাদ্যতালিকা স্বাস্থ্যকর করা যায়, এতে খাওয়ার সময় অশান্তি এড়িয়ে চলা সম্ভব।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

আপনি কি একজন 'জোম্বি প্যারেন্ট'? তাহলে সাবধান হয়ে যান এখন থেকেই!
কর্মরতা মায়েরা নিজেদের দোষ না দিয়ে কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন, এভাবে সন্তানের যত্ন নিন