অফিস প্রেমে মত্ত অনেকেই, তবে জানেন কি ভারত এই রোমান্সে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে..

Published : Nov 16, 2025, 01:16 PM IST
Relationship

সংক্ষিপ্ত

অফিস প্রেমে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে। এক সক্ষীমায় দেখা গিয়েছে, কর্মস্থানে প্রেমের বিষয়ে সবার প্রথমে রয়েছে মেক্সিকো। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ওই দেশের ৪৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন, তাঁরা সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন বা আছেন। 

কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকেই। তাঁদের মধ্যেই অনেকে বিবাহিত। আবার কেউ প্রথমবার মনের সঙ্গী খোঁজেন। কোন দেশের মানুষ বেশি সহকর্মীর প্রেমে পড়েন? এই প্রশ্ন করলেই বিদেশের কোনও দেশের কথা মনে হতেই পারে। তবে এক সমীক্ষায় উঠে এল ভারতের নাম। ১১টি দেশ নিয়ে করা একটি সমীক্ষায় দেখা গেল অফিসের প্রেমে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের নাগরিকরা।

একটি সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক সমীক্ষা অনুসারে, ভারতের যুবক-যুবতীরা অফিস রোম্যান্সের ক্ষেত্রে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, ৪0% ভারতীয় সহকর্মীর সাথে ডেট করেছেন, যা মেক্সিকোর পরেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

এই ঘটনা কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত জীবনের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনার জন্ম দিয়েছে-

** সমীক্ষার মূল ফলাফল:

* দ্বিতীয় স্থানে ভারত: একটি সমীক্ষায়, মেক্সিকোর পর ভারত অফিস রোম্যান্সের দিক থেকে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

* অংশগ্রহণের হার: সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৪০% ভারতীয় স্বীকার করেছেন যে তারা একজন সহকর্মীর সাথে ডেট করেছেন বা বর্তমানে করছেন।

* লিঙ্গভিত্তিক প্রবণতা: সমীক্ষায় দেখা গেছে যে পুরুষদের তুলনায় মহিলারা সহকর্মীর সাথে ডেটিং করার সম্ভাবনা বেশি, যদিও সমীক্ষা অনুসারে পুরুষদের এই ধরনের সম্পর্কে জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

* বয়স-ভিত্তিক পার্থক্য: ১৮-২৪ বছর বয়সী তরুণ কর্মীরা এই ধরনের সম্পর্ক নিয়ে বেশি সতর্ক এবং প্রায় ৩৪% তাদের কর্মজীবনের উপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বিগ্ন।

** এর পেছনের কারণ :

* কর্মক্ষেত্রে সময়: কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কাটানোর কারণে সহকর্মীদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। একই কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার ফলে একে অপরের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হতে পারে।

* সাধারণ আগ্রহ: একই পেশা এবং কাজের পরিবেশে থাকার ফলে সহকর্মীদের মধ্যে সাধারণ আগ্রহ এবং লক্ষ্য থাকে, যা সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

* সামাজিক বন্ধন: কর্মক্ষেত্রের বাইরেও এই সম্পর্কগুলি প্রায়শই সামাজিক বন্ধন তৈরি করে, যা একে অপরের সাথে আরও বেশি সময় কাটাতে উৎসাহিত করে।

** সম্ভাব্য প্রভাব:

* ক্যারিয়ারের উপর প্রভাব: কর্মক্ষেত্রে প্রেমের সম্পর্ক অনেক সময় ক্যারিয়ারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে যদি সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে, এই ধরনের সম্পর্ক পেশাগত জীবনে আরও বেশি সমর্থন এবং উন্নতির কারণ হতে পারে।

* কর্মক্ষেত্রে সংঘাত: ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের মধ্যে সংঘাত তৈরি হতে পারে, যা কর্মক্ষেত্রে অসন্তোষ এবং দ্বন্দ্বের কারণ হতে পারে।

* সম্পর্কের পরিণতি: অফিস রোম্যান্স সম্পর্কের পরিণতি নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে, এই ধরনের সম্পর্ক বিবাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে, অন্যদিকে কিছু ক্ষেত্রে, এটি কেবল একটি সাময়িক রোম্যান্স হিসেবেই শেষ হয়।

এই সমীক্ষার ফলাফলগুলি কর্মক্ষেত্রে সম্পর্ক এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে। কর্মক্ষেত্রে প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

পুরনো প্রেম যদি ফিরে আসে নতুন করে জীবনে তাহলে এই কয়েকটি বিষয় অবশ্যই সতর্ক থাকুন!
জানুয়ারি মাসে বিবাহবিচ্ছেদ বাড়ে? কারণটা কী?