
Travel Tips: শীতের আরামদায়ক রোদে নদীপারের স্নিগ্ধ পরিবেশ উপভোগ করতে কলকাতা থেকে কাছেপিঠের ৫টি অন্যতম সেরা ঠিকানা হলো—দক্ষিণ ২৪ পরগনার শান্ত বুরুল, রূপনারায়ণের তীরে গাদিয়াড়া, ঐতিহ্যের মহিষাদল, শান্ত নিরিবিলি শীতলপুর এবং নৌবিহারের জন্য উপযুক্ত কুলপি । এই স্থানগুলো বেলাবেলি ঘুরে আসার জন্য আদর্শ।
শীতের নদীপারের ৫টি সেরা ঠিকানা:
১. বুরুল (Burul): কলকাতা থেকে মাত্র দেড়-দু ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই স্থানটি গঙ্গা বা হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত। বুরুলের প্রধান আকর্ষণ হলো এর নির্জনতা। এখানে নদীর ধারে রোদে বসে সময় কাটানো বা নৌকায় ঘুরে আসা যায় ।
২. গাদিয়াড়া (Gadiara): হাওড়া জেলার এই জায়গাটিতে রূপনারায়ণ ও হুগলি নদীর মিলনস্থল রয়েছে। বুরুলের মতো এখানেও নদীপারের পরিবেশ অপূর্ব। এখানে বিকেলে পড়ন্ত রোদে হাঁটাচলা এবং স্থানীয় রিসর্টগুলোতে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা বেশ জনপ্রিয়।
৩. মহিষাদল (Mahishadal): পূর্ব মেদিনীপুরের এই জায়গাটি ঐতিহ্যের সঙ্গে নদীপারের নিরিবিলি পরিবেশের সংমিশ্রণ। এখানে রাজবাড়ি দেখার পাশাপাশি রূপনারায়ণের শাখা নদীর পাড়ে সময় কাটানো যায়।
৪. শীতলপুর (Shitalpur): ডায়মন্ড হারবারের কাছে অবস্থিত এই স্থানটি খুব বেশি ভিড়ভাট্টা পছন্দ না করা মানুষদের জন্য সেরা। এখানে নদীর ধার ধরে হাঁটা এবং গ্রামীণ পরিবেশ খুব শান্তি দেয়।
৫. কুলপি (Kulpi): গঙ্গার ধারেই অবস্থিত, এখানে কিছুটা সময় নদীর হাওয়া মেখে এবং ছোট নৌকায় ভেসে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়, যা শহরের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি দেয়।
ভ্রমণ টিপস:
* এই স্থানগুলোতে বেলা ১০টার মধ্যে পৌঁছে যাওয়াই ভালো, যাতে রোদের তীব্রতা বাড়ার আগে বা বিকেলে আরামদায়ক পরিবেশ পাওয়া যায়।
* সাথে হালকা শীতের পোশাক রাখা প্রয়োজন ।
* দুপুরের খাবারের জন্য আগে থেকে লোকাল কোনো হোটেল বা রিসর্টে যোগাযোগ করে রাখলে ভালো হয়।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।