Double Storey Station: ভারতীয় রেলের হাত ধরে এই রুট নির্মাণের পাশাপাশি তৈরি হয় কামারকুন্ডু স্টেশনও। পরবর্তীতে 1917 সালে নির্মাণ করা হয় হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইন। যা এই স্টেশনের উপর থেকেই গিয়েছে।
Double Storey Station: পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র দোতলা বা ডাবল-ডেকার স্টেশন হলো শিবপুর (Shibpur), যা বন্দে ভারত ও রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো দ্রুতগতির ট্রেনের সাক্ষী। হাওড়া-খড়গপুর লাইনে অবস্থিত এই স্টেশনটি মূলত মালবাহী ও যাত্রী ট্রেনের গতি ও পরিধি বাড়াতে আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত, যেখানে ওপরের তলায় এবং নিচের তলায় আলাদা রেললাইন ও প্ল্যাটফর্মের ব্যবস্থা রয়েছে।
এখানে বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া হল:
* অবস্থান ও গুরুত্ব: দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অন্তর্গত শিবপুর স্টেশনটি হাওড়া স্টেশনের কাছেই অবস্থিত। এটি কলকাতা ও তার আশে পাশের অঞ্চলের ট্রেনের চাপ কমানোর জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্টেশন।
* দোতলা পরিকাঠামো: এই স্টেশনটির মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ডাবল-ডেকার বা দু-তলা বিশিষ্ট লাইন ব্যবস্থা।
• নিচের তলা (Ground Level): সাধারণত স্থানীয় বা দ্রুতগামী ট্রেন চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়। * ওপরের তলা (Elevated Level): দীর্ঘ দূরত্বের ট্রেন, যেমন—রাজধানী এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, এবং বিভিন্ন সুপারফাস্ট ট্রেন এই ওপরের লাইন দিয়ে যাতায়াত করে।
* বন্দে ভারত ও রাজধানীর যাতায়াত: এই স্টেশন দিয়ে বন্দে ভারত ও রাজধানী এক্সপ্রেসের মতো সেমি-হাইস্পিড ট্রেনগুলি তীব্র গতিতে যাতায়াত করে, যা একে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম আধুনিক স্টেশন হিসেবে তুলে ধরে।
* আধুনিকীকরণ ও সুবিধা: স্টেশনটি আধুনিক যাত্রী সুবিধা, উন্নত সিগন্যালিং সিস্টেম এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন ট্রেনগুলিকে নিরাপদভাবে পরিচালনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এক কথায়, শিবপুর স্টেশন বাংলার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক অনন্য আধুনিক স্থাপত্যের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


