করোনা সংক্রমণে মৃত্যু, প্রাণ হারালেন সবং থানার সেকেন্ড অফিসার

Published : Sep 16, 2020, 12:54 PM ISTUpdated : Sep 16, 2020, 12:56 PM IST
করোনা সংক্রমণে মৃত্যু, প্রাণ হারালেন সবং থানার সেকেন্ড অফিসার

সংক্ষিপ্ত

করোনা সংক্রমণে ফের মৃত্য়ু এবার প্রাণ হারালেন তরুণ পুলিশ অফিসার সবং থানা কর্মরত ছিলেন তিনি শোকের ছায়া পুলিশমহলে

শাজাহান আলি, মেদিনীপুর: করোনা সংক্রমণে ফের মৃত্যু পশ্চিম মেদিনীপুরে। এবার প্রাণ হারালেন সবং থানার সেকেন্ড অফিসার অতনু প্রামাণিক। বয়স হয়েছিল মাত্র আটতিরিশ বছর। শোকের ছায়া পুলিশমহলে।

আরও পড়ুন: ভাইঝিকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদে খুন, দম্পতির গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার ঘিরে ঘণীভূত রহস্য

করোনা আতঙ্কে সাধারণ মানুষ  যখন গৃহবন্দি, তখন কর্তব্যের খাতিরে পথে নেমেছে পুলিকর্মী। ফলে যা হওয়ার, তাই হচ্ছে। নিঁচুতলার কর্মীরা তো বটেই, করোনা সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন পুলিশ শীর্ষস্থানীয় আধিকারিকরা। দিন কয়েক আগে সংক্রমণ ধরা পড়েছে কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মার। এর আগে সংক্রমিত হয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার সুপার সুমিত কুমার ও আসানসোল-দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার সুকেশ জৈন।

আরও পড়ুন: গঙ্গাসাগর বাজার এলাকায় বিধ্বংসী আগুন ঘিরে রহস্য, ভস্মীভূত ১০টি দোকান

জানা গিয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর যখন অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়, তখন করোনা সংক্রমণ  ধরা পড়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থানার সেকেন্ড অফিসার অতনু প্রামাণিকের। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় ডেবরায়, সেফ হোমে। সেফ হোমে থাকাকালীন জ্বর আসে তরুণ ওই পুলিশ আধিকারিকের। ৭ সেপ্টেম্বর তাঁকে ভর্তি করা হয় শালবনির কোভিড হাসপাতালে। কিন্তু তিন ধরে চিকিৎসার চলার পরেও রোগী শারীরিক অবস্থায় তেমন কোনও উন্নতি হয়নি। বরং আইসিইউ-তে পাঠানোর পর শারীরিক অবস্থা অবনতি হতে শুরু করে দ্রুত।  শেষবেলায় তড়িঘড়ি রোগীকে পাঠানো হয় হাওড়া নারায়ণ হাসপাতালে। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার ভোরে মারা যান সবং থানার সেকেন্ড অফিসার অতনু প্রামাণিক।

PREV
West Bengal news today (পশ্চিমবঙ্গের লাইভ খবর) - Read Latest west bengal News (বাংলায় পশ্চিমবঙ্গের খবর) headlines, LIVE Updates at Asianet News Bangla.
click me!

Recommended Stories

Ajker Bangla News Live: টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬ - ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগে শেষ ম্যাচ, আমেরিকার সামনে পাকিস্তান
SIR-এ বাংলাদেশি নাগরিকদের রমরমা, তালিকায় ২০০ জনের বাবা মাত্র ২ জন