
IND vs SA 5th T20: আহমেদাবাদে হার্দিক ঝড়। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে দক্ষিণ আফ্রিকাকে কার্যত, একাই তছনছ করে দিলেন হার্দিক পান্ডিয়া (fastest t20i fifty)। বলা যেতেই পারে, সত্যিই যেন পিকচার পারফেক্ট মুভি। অনবদ্য ব্যাটিং। নিঃসন্দেহে ২২ গজে ঝড় তুললেন ভারতের অন্যতম তারকা হার্দিক পান্ডিয়া (ind vs sa)।
মাত্র ১৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি করলেন এই তারকা অলরাউন্ডার। রীতিমতো বিধ্বংসী ব্যাটিং। শুরুটাই করলেন ছয় মেরে।তাঁকে থামাতেই পারছিলেন না দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা। একটা সময়, প্রোটিয়া বোলাররা বুঝতেই পারছিলেন না যে, কোথায় বল করা ঠিক হবে!
একের পর এক চার-ছয়ের বন্যা বইয়ে দিলেন আহমেদাবাদে। উপহার দিলেন ২৫ বলে ৬৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। স্ট্রাইক রেট ২৫২.০০। ৫টি চার এবং ৫টি ছয় ছিল তাঁর ইনিংসে। আর হাফ সেঞ্চুরি করেই সোজা গ্যালারির দিকে ফ্লাইং কিস। কারণ, সেখানে তখন বসে হার্দিকের বান্ধবী মাহিকা শর্মা। জীবনের অন্যতম সেরা ইনিংস খেলেই প্রিয়তমার কাছে পাঠিয়ে দিলেন চুম্বন। গোটা গ্যালারি তখন হার্দিকের অবিস্মরণীয় ইনিংসে মুগ্ধ।
কিন্তু তাঁর পাঁচটি ছক্কার মধ্যে একটি ছক্কা গিয়ে লাগে মাঠের বাইরে এক ক্যামেরা পার্সনের গায়ে। তিনি ব্রডকাস্টিং চ্যানেলের তরফে বাউন্ডারি লাইনের বাইরে থেকে মুহূর্ত ফ্রেমবন্দি করছিলেন। তখনই তাঁর হাতে গিয়ে বল লাগে। হার্দিকের ঐ জোরালো শটের আঘাতে তখন তিনি যন্ত্রণায় কাতর।
সঙ্গে সঙ্গে তখন ভারতীয় ক্রিকেট দলের চিকিৎসক তাঁর হাতে আইস প্যাক লাগিয়ে দেন। কিন্তু হার্দিক বিষয়টি জানতে পেরেই এরপর খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেন। এরপর মাঠের বাইরে গিয়ে হার্দিক প্রথমে তাঁর হাত পরীক্ষা করার জন্য আইস প্যাকটি খুলে দেন। তারপর আবার নিজে সেটি লাগিয়ে দেন এবং ক্যামেরা পার্সনকে জড়িয়ে ধরেন। ভালোবাসার আলিঙ্গনে সেই ক্যামেরা পার্সন আর হাসি থামাতে পারেননি।
নিঃসন্দেহে হার্দিক বড় মনের পরিচয় দিলেন। মাঠের মধ্যেও যেমন দাপট দেখালেন, ঠিক তেমনই মাঠের বাইরেও একজন বড় মনের ক্রিকেটারের পরিচয় দিলেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।