
ঈশান কিষানের রেকর্ড
রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টি-২০ ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন ঈশান কিষান। হ্যামিলটনের সেডন পার্কে ৩২ বলে ৬১ রান করেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। এই ইনিংসের সুবাদেই একাধিক নজির গড়লেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি এক ক্যালেন্ডার বছরে সবচেয়ে বেশি রান করা ভারতীয় ব্যাটারও হয়ে গেলেন ঈশান।
হ্যামিলটনে ঈশান কিষানের রেকর্ড
২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করার জন্য ঈশান কিষানের দরকার ছিল ৪৫ রান। রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টি-২০ ম্যাচে মিচেল স্যান্টনারকে মিড উইকেট দিয়ে বাউন্ডারি মারার পরের বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে আন্তর্জাতিক টি-২০ ফর্ম্যাটে নিজের ১৪-তম অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। সেই সঙ্গে এই ফর্ম্যাটে ২,০০০ রানের গণ্ডিও পেরিয়ে যান।
তৃতীয় দ্রুততম ২,০০০ রান ঈশান কিষানের
মাত্র ১,৩৪৫ বল খেলে আন্তর্জাতিক টি-২০ ফর্ম্যাটে ২,০০০ রানের নজির গড়েছেন ঈশান কিষান। আন্তর্জাতিক টি-২০ ফর্ম্যাটে বলের নিরিখে দ্রুততম ২,০০০ রান করা ভারতীয় ব্যাটারদের তালিকায় তিন নম্বরে এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।
দ্রুততম ২,০০০ রান অভিষেক শর্মার
আন্তর্জাতিক টি-২০ ফর্ম্যাটে দ্রুততম ২,০০০ রান করা ভারতীয় ব্যাটারদের তালিকার শীর্ষে অভিষেক শর্মা। মাত্র ১,০২৪ বলে ২০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই তরুণ ব্যাটার। দ্বিতীয় স্থানে আছেন সূর্যকুমার যাদব। তিনি ১,১৬৪ বল খেলে ২,০০০ রান করেন। এবার ঈশান কিষানও ২,০০০ রান করলেন।
সূর্যকুমারের রেকর্ড ভেঙে দিলেন ঈশান
রবিবার আরও এক বড় নজির গড়েছেন ঈশান কিষান। এক ক্যালেন্ডার বছরে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি রান করা ভারতীয় ব্যাটার হয়ে গিয়েছেন তিনি। চলতি বছরে তিনি মোট ১,২২০ রান করেছেন। এতদিন এই রেকর্ড ছিল সূর্যকুমার যাদবের দখলে। ২০২২ সালে ১,১৬৪ রান করেছিলেন সূর্যকুমার। এবার তাঁকে টপকে গেলেন ঈশান।
মহম্মদ রিজওয়ানকে টপকে যাওয়ার লক্ষ্যে ঈশান কিষান
আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে এক বছরে সবচেয়ে বেশি রান করা ব্যাটারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ঈশান কিষান। ২০২১ সালে পাকিস্তানের মহম্মদ রিজওয়ান ১,৩২৬ রান করে এই তালিকার শীর্ষে। এবার তাঁকে টপকে যেতে পারেন ঈশান।
চোট সারিয়ে প্রত্যাবর্তন ঈশান কিষানের
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের শুরুটা অবশ্য ভালো করতে পারেননি ঈশান কিষান। প্রথম ম্যাচে মাত্র এক রান করে আউট হয়ে যান তিনি। এরপর চোটের কারণে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচে খেলতে পারেননি। ডান পায়ের অ্যাডাক্টর পেশিতে সামান্য চোট ছিল তাঁর। চোট সারিয়ে চতুর্থ ম্যাচে দলে ফিরে শূন্য রানে আউট হয়ে যান। ফলে শেষ ম্যাচে তাঁর উপর প্রত্যাশা ছিল অনেকটাই। এদিন সেই প্রত্যাশা পূরণ করলেন তিনি।