Dipendu Biswas Exclusive: আবারও তৃণমূলে যোগ দীপেন্দু বিশ্বাসের। ময়দানের প্রাক্তন দাপুটে ফুটবলার। প্রসঙ্গত, এর আগে জোড়াফুল শিবির থেকে তিনি বসিরহাটের বিধায়কও নির্বাচিত হন। তবে পরে দল ছাড়েন। কিন্তু আবারও সেই তৃণমূলেই ফিরলেন ময়দানের সবার প্রিয় ‘দীপুদা'। এশিয়ানেট নিউজ বাংলার সঙ্গে এক্সক্লিউসিভ সাক্ষাৎকারে কী জানালেন তিনি (Dipendu Biswas Exclusive)?
প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসের কথায়, “আমাদের রাজ্যের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে উন্নয়ন করেছেন বসিরহাটে। আমি যখন বিধায়ক ছিলাম তখন প্রচুর কাজ হয়েছে। সেই কাজকেই আগামীদিনে আরও ভালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমাদের জেলার তৃণমূলের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি এবং কো-অর্ডিনেটরের সামনে আমি দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছি। দেখো, ২০১৪ সাল থেকে তো আমি বিধায়ক ছিলাম। তখনও তো মাঠে এবং রাজনীতির ময়দানে, দুই জায়গাতেই সময় দিয়েছি। ২০২০ সালে আমরা আই লিগ জিতি। যেহেতু মহামেডান স্পোর্টিং-এ আমি ফুটবল সেক্রেটারি, ফলে সেখানে তো সময় দিতেই হবে।"
তিনি আরও যোগ করেন, “ইতিমধ্যেই আমরা এসআইআর ইস্যুতে ময়দানের মানুষরা প্রতিবাদ জানিয়েছি। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা পথে নেমেছি। একটা মিছিল করেছি। আমরা ক্রীড়াবিদরা মিলে প্রতিবাদ জানিয়েছি। যেখানে মেহতাব-নবি-মহম্মদ শামি সবাই যোগ দেয়। আমরা ইলেকশন কমিশনকেও চিঠি দিয়েছি ক্রীড়াবিদদের তরফ থেকে।"
সবমিলিয়ে, নির্বাচনের আগে ঘর গোছাতে শুরু করে দিল তৃণমূল। আর জোড়াফুল শিবিরে যোগ দিয়েই তৃণমূল সূপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসাও করেন দীপেন্দু।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।